নেইমার-কাভানিদের লজ্জাজনক হার!


Neymar 06 12 17 541427473
 

হঠাৎ করেই ছন্দ পতন! ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের পর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও লজ্জাজনকভাবে হার দেখল পিএসজি। মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখ ৩-১ গোলে রীতিমতো উড়িয়েই দিয়েছে নেইমার-কাভানিদের!

অথচ নিজেদের মাটিতে পিএসজি ৩-০ গোলে হারিয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখকে। সেই হারের পরই চাকরি হারান কার্লো আনচেলত্তি। তারই উত্তরসূরী জাপ হেইঙ্কেসের অধীনে অবশ্য মোটেও ভুল করেনি জার্মান জায়ান্টরা।

নিজেদের মাঠ অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনায় ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে স্বাগতিকরা। ম্যাচের প্রথমার্ধের আট মিনিটেই বায়ার্নকে এগিয়ে দেন রবার্ট লেভানডোস্কি। জেমস রদ্রিগেজের সহায়তায় চলতি মৌসুমে সবধরনের প্রতিযোগীতায় ২০তম গোলটি করেন বায়ার্নের এই পোলিশ স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে কোরেন্তিন তোলিসো গোল করলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বায়ার্ন। ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে সফরকারী দলটি। দারুণ দুটি সুযোগ তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান অধিনায়ক নেইমার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় উনাই এমেরির দল। ৫০ মিনিটে দারুণ এক গোল করেন পিএসজির ফরাসি স্ট্রাইকার কিলিয়ান এমবাপ্পে। মার্কো ভেরাত্তি গোলের সহজ সুযোগ মিস না করলে ৬০ মিনিটেই সমতায় ফিরত চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে ছুটতে থাকা পিএসজি।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ মিনিটে তোলিসো নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করলে ৩-১ ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় পিএসজিকে। শুধু তাই নয়, চলতি মৌসুমে নেইমার-কাভানিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় পরাজয়টাও দেখা হয়ে যায়।

তবে আগেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোল নিশ্চিত ছিল এই দুই দলের। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের জন্যই মূলত এই ম্যাচটার গুরুত্ব ছিল আলাদা। বায়ার্নের কাছে হেরেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। ছয় ম্যাচ থেকে দুই দলেরই সমান ১৫ পয়েন্ট হলেও মুখোমুখি লড়াইয়ে গোলব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকতে হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখকে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*