‘পদ্মাসেতুর মতো রোহিঙ্গা সংকটেরও সমাধান করবেন প্রধানমন্ত্রী’


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে যেভাবে পদ্মাসেতু নির্মাণ করছেন, সেভাবেই রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করবেন।

৪ ডিসেম্বর সোমবার কক্সবাজারের একটি হোটেলে রোহিঙ্গাদের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে অনুদানের টাকা গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হলেও একদিনে সব রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে না। কারণ এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। এটি যে খুব তাড়াতাড়ি শেষ হবে, তা বলা যাবে না। কিন্তু এ সংকট সমাধানে সরকার ব্যর্থ হবে না।

এ ছাড়া পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎসহ সবকিছুর ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শান্তি চুক্তির আগে এবং পরের অবস্থা পর্যালোচনা করলে পাহাড়ে উন্নয়নের দৃশ্য সহজে বুঝা যাবে। এখন পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র সমস্যা হচ্ছে ভূমি। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই। জনসংহতি সমিতির চেয়ারম্যান সন্তু লারমার সাথে শিগগিরই বৈঠক করা হবে। চুক্তির যে শর্তগুলো বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো কীভাবে দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, সেই বিষয়ে আলোচনা হবে।

সেসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, আশেক উল্লাহ রফিক, আব্দুর রহমান বদি, সামসুল হক চৌধুরী, একরামুল চৌধুরী, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, পুলিশ সুপার ড. একেএম ইকবাল হোসেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা প্রমূখ।

এর আগে রোহিঙ্গাদের জন্য সামশুল হক চৌধুরী এমপি ২০ লাখ, একরামুল করিম চৌধুরী এমপি ২০ লাখ, আওয়ামী লীগ নেতা খন্দকার রুহুল আমিন ১০ লাখ, ডব্লিওটিসি নামে একটি সংস্থার পক্ষ থেকে ২০ লাখ, হাতিয়ার আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদ আলী রাতুলের পক্ষ থেকে ১০ লাখ এবং এয়ারবেল গ্রুপের পক্ষ থেকে ৪ লাখ টাকার ওষুধ সামগ্রী গ্রহণ করেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।