আর্জেন্টিনাও এভাবে হারে!


মস্কোতে রাশিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচের পরই লিওনেল মেসিকে বিশ্রামে পাঠিয়ে দেন জর্জ সাম্পাওলি। যে কারণে মঙ্গলবার আরেক প্রীতি ম্যাচে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দলের সেরা তারকাকে ছাড়াই মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। তার মাশুলটাও দিতে হলো ৪-২ গোলের লজ্জাজনক পরাজয়ে!

অথচ মেসিবিহীন সূচনাটা দুর্দান্ত করে সাম্পাওলির দল। প্রথমার্ধের ২৭ মিনিটে এভার বানেগার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ৩৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন সার্জিও অ্যাগুয়েরো। শুধু তাই নয়, এই গোলের সৌজন্যে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাও বনে যান ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা ফরোয়ার্ড। ৮৩ ম্যাচে ৩৬ গোল করে ছাড়িয়ে যান হার্নান ক্রেসপোর রেকর্ডকে (৩৫)।

তবে বিরতিতে যাওয়ার আগেই কেলেচি ইহেনাচো গোল করলে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় নাইজেরিয়া। বিরতির পর তো রীতিমতো ছোট্ট সুনামি! মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানেই আর্জেন্টিনার জালে দুইবার বল জড়ায় নাইজেরিয়া। ৫২ মিনিটে অ্যালেক্স লোবি সমতায় ফেরালে ৫৪ মিনিটে ব্রিয়ান ইদোওর গোলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল নাইজেরিয়া। আর ৭৩ মিনিটে লোবি নিজের দ্বিতীয় গোল করলে শেষ পর্যন্ত সুপার ঈগলরা ৪-২ ব্যবধানে হারায় সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের বাঁধা পার হতে পারবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে ছিল আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। শেষ পর্যন্ত ২০১৮ বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে ঠিকই। কিন্তু খেলতে হয়েছে শেষ ম্যাচ পর্যন্ত। ইকুয়েডরের বিপক্ষে সেই ম্যাচের নায়ক ছিলেন লিওনেল মেসি। হ্যাটট্রিক করে নিজের জাত চেনান এলএম টেন।

নাইজেরিয়ার কাছে এভাবে হারের পর আর্জেন্টাইন সমর্থকরা মেসির অনুপস্থিতিটাকেই মিস করছেন বেশি! এলএম টেন থাকলে ম্যাচের গল্পটাও যে রচিত হতে পারত ভিন্নভাবে।