রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় ২০ লাখ ডলার দেবে জাপান


Rohingya

মিয়ানমারে সেনা নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের চলমান মানবিক সহায়তা কার্যক্রম জোরদারে জরুরি সহায়তা হিসেবে ২০ লাখ ডলার দেবে জাপান।

৮ মে সোমবার জাপান দূতাবাস ও সংস্থা তিনটির এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা- ইউএনএইচসিআর, জাতিসংঘের শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের জন্য সামাজিক সহায়তা, আশ্রয়, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবাসহ নিশ্চিত করাসহ তাদের জীবনমান উন্নয়নে এই অর্থ ব্যয় করবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৬ সালের অক্টোবরের পর ৭৪ হাজার মানুষ মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে, যাদের প্রায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ অভিভাবকহীন শিশু।

এদের মধ্যে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ও স্থানীয় কমিউনিটিতে অবস্থানরত শিশুদের সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও তাদের স্বাভাবিক জীবন ফেরাতে কাজ করবে ইউনিসেফ।

বিবৃতিতে জাপান সরকারের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রধান এডওয়ার্ড বেগবেদার বলেন, ‘এই সহায়তা সব শিশুর জন্য শিক্ষা ও সুরক্ষা সেবা প্রদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতে আমাদের সহায়তা করবে।’

ইউএনএইচসিআরের কুতুপালং ও নয়াড়ায় শরণার্থী শিবিরে ২৬০০ পরিবারকে আগামী বর্ষা মৌসুমে টিকে থাকতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করবে।

এই সহায়তা জীবন-রক্ষার চেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রধান শিনজি কুবো।

এদিকে, কক্সবাজারের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নতুন-পুরনো ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী জরুরি প্রয়োজন নিশ্চিতে কাজ করবে আইওএম। সংস্থাটির বাংলাদেশ মিশনের প্রধান সরত দাশ বলেন, ‘নারী ও শিশুদের মনোসামাজিক সহায়তার প্রতি বিশেষ লক্ষ্য রেখে এই এলাকায় আশ্রয় নেওয়া মানুষগুলোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে এই তহবিল আইওএমকে সহায়তা করবে।’

এই সহায়তার কার্যক্রম পরিচালনা করতে ২০ লাখ ডলারের মধ্যে আইওএম ১০ লাখ ডলার, ইউএনএইচসিআর ৫ লাখ ডলার ও ইউনিসেফ পাবে ৫ লাখ ডলার।