বাংলাদেশ ব্যাংকে আগুন নিয়ে সন্দেহ আছে: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী


AmirKh

বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে এই সময়ে আগুন লাগা নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্ন আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

২৪ মার্চ, শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আমীর খসরু বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে আগুন লাগার বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। রিজার্ভ চুরির দুই মাস পর মানুষ তা জানতে পেরেছে ফিলিপাইনের পত্রিকায় সংবাদ হওয়ায়। এটি তদন্ত করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে না। কেন এটি প্রকাশ করা হচ্ছে না, তা বাংলাদেশের গণমাধ্যম লিখতে পারছে না। তবে ফিলিপাইন বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরের লোকজনই রিজার্ভ চুরির সঙ্গে জড়িত। ব্যাংকের ভেতর থেকেই এ কাজ হয়েছে। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকও একই কথা বলেছে। এ কারণেই তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে না।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘অনেকের সন্দেহ আছে, এই সময় আগুন লাগার কারণ কি? এটাই জনগণের প্রশ্ন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন ভারত সফর নিয়ে আমীর খসরু বলেন, এই সফর নিয়েও জনমনে প্রশ্ন আছে। তিস্তা চুক্তি আলোচনার বাইরে চলে গেছে। যে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে তা বাংলাদেশের জনগণের চাহিদা নয়। জনগণের চাহিদা হলো তিস্তাসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা। তাহলে কার চাহিদার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর?

আমীর খসরু বলেন, গণমাধ্যমে যে চুক্তির কথা বলা হচ্ছে তা হলে সেটি হবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে। প্রত্যেক দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিজস্ব চিন্তা, দর্শন, গোপনীয়তা, কৌশল, অহংকার থাকে। এটা বিনিময়ের কিছু নেই। সবকিছু বিনিময় করতে হলে প্রতিরক্ষা বাহিনী স্বাধীন থাকবে কি না, সে প্রশ্ন রাখেন তিনি।

এ সময় তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী চুক্তিতে সই করতে পারেন। কিন্তু জনগণ তা গ্রহণ করবে না।

দেশের জন্য জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন অবদান তুলে ধরে আমীর খসরু বলেন, তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের পরিচয় দিয়ে গেছেন। তিনি যে আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করেছেন, তার দর্শন থেকে বিএনপিও অনেক সরে গেছে।

কৃষক দল আয়োজিত স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ওই আলোচনা অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান প্রমুখ।