নৃশংস খুনি গোলকিপারকে দলে পেতে ১০ ক্লাবের প্রতিযোগিতা!


bruno

বেশ দাপটের সঙ্গেই ব্রাজিলের শীর্ষ ক্লাব ফ্ল্যামিঙ্গোর গোলপোস্ট সামলে রাখতেন সাও পাওলো ব্রুনো। প্রতিপক্ষে প্রায় সব প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে বেশ কয়েকবার ফ্ল্যামিঙ্গোর নায়ক বনে যান তিনি। গোলরক্ষক হিসেবে ফুটবল বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে তার সুনাম। বার্সেলোনার মত স্প্যানিশ জায়ান্টরাও তাকে দলে পেতে আগ্রহী ছিল।

কিন্তু ২০১০ সালে হঠাৎ করেই জীবনটা ওলট-পালট হয়ে যায় ব্রুনোর। দীর্ঘদিনের বান্ধবী এলিজা সামুডিওকে খুন করে বসেন ব্রুনো। কারণ ছিল জনসমক্ষে এলিজা তার সন্তানের বাবা হিসেবে ব্রুনোকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। শুধু খুন করেই ক্ষান্ত হননি, এলিজাকে মেরে ফেলার পর তার শরীরকে টুকরো টুকরো করে কেটে সেই দেহাবশেষ ব্রুনো তার পোষা রটওয়েলার প্রজাতির কুকুরদের খেতে দিতেন।

এলিজার লাশ কুকুরকে খাওয়ানোর উদ্দেশ্য ছিল যেন কোন সাক্ষী না থাকে। কিন্তু ব্রুনোর ভাই এসে আদালতে সব কথা ফাঁস করে দেন। সারা বিশ্বে শিউরে ওঠে ব্রুনোর নৃশংসতার গল্প শুনে! পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ব্রাজিলের এক আদালত ব্রুনোকে ২২ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। যদিও পরে শাস্তি কমে যায়।

টানা সাত বছর জেল খেটে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেয়েছেন ব্রুনো। বর্তমানে তার বয়স ৩২ চললেও ব্রুনো আবার ফুটবলকেই আঁকড়ে ধরতে চাইছেন। অবাক করা ব্যাপার, ভয়ঙ্কর এই খুনীকে দলে পেতে এরই মধ্যে ১০টি ক্লাব প্রতিযোগিতায় নেমেছে!

এমনটাই দাবী ব্রুনোর এজেন্টের। এ প্রসঙ্গে তার এজেন্ট বলেন, ‘অন্তত ১০টি ক্লাব ব্রুনোকে দলে নিতে আগ্রহী। ‌কোন ক্লাব, কোন দেশের সেসব এখন ভাঙছি না। তবে, জেনে রাখুন ব্রুনোকে পেতে আগ্রহী অনেক বড় ক্লাবও।’