বেঙ্গালুরুর উইকেটই পাল্টে দিচ্ছে ভারত!


 

ঘরের মাঠে বরাবরই দূর্বার ভারত। সাদা পোশাকে সর্বশেষ দুই সিরিজের পাঁচ ম্যাচে চারটিতেই জয় আর একটি ড্র তুলে নিয়েছে বিরাট কোহলির দল। অস্ট্রেলিয়ার জন্যও স্পিনিং উইকেটের জাল বিছিয়ে রেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্ত অস্ট্রেলিয়ার বাঁ-হাতি স্পিনার স্টিভ ও’কিফের স্পিন ঘুর্ণিতে উল্টো নিজেদের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়েছে ভারত।

পুনেতে প্রথম টেস্টে মাত্র আড়াই দিনেই শোচনীয় পরাজয়ের পর স্বাগতিক ভারত দ্বিতীয় টেস্ট জিততে মরিয়া। এজন্য তারা পিচের চেহারাই পাল্টে ফেলতে চলেছে। আগামী ৪ মার্চ বেঙ্গালুরুতে শুরু হবে এই টেস্ট। এখানকার পিচ অনেকটা শক্ত হবে বলেই কিউরেটরের বরাতে খবর দিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।

পুনের ঘূর্ণি উইকেটে ভারতীয় দলের ভরাডুবির পরে এবার ব্যাঙ্গালুরুর উইকেট কেমন হবে, তা নিয়ে জোর জল্পনা রয়েছে। বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের এই ২২ গজ প্রস্তুতের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে কিউরেটর কে শ্রীরামকে। এই কিউরেটর জানালেন পাঁচদিনের খেলার কথা ভেবেই উইকেট তৈরি করা হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে এন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের পিচ কিউরেটর কে শ্রীরাম বলেন, ‘বেঙ্গালুরুর উইকেটে আগের মতোই হবে। হার্ড, বাউন্সে ভরা। পুনের মতো তিন দিনে টেস্ট শেষ হবে বলে মনে হয় না। পাঁচ দিনের খেলার কথা ভেবেই করা হচ্ছে এই উইকেট। কোনো দিনই খারাপ উইকেট হয়নি। এবারও হবে না। কোনো দল জঘন্য পারফরম্যান্স না করলে খেলা পাঁচ দিনেই গড়াবে।’

কোহলিদের টার্নিং উইকেট না দেয়ার পক্ষে জানিয়ে শ্রীরাম আরও বলেন, ‘আামাদের ছেলেরা স্পোর্টিং উইকেটেই ভাল খেলবে। তাই ওদের স্পোর্টিং উইকেটই দেওয়া উচিত। এই দলকে আর কখনও যেন টার্নিং উইকেট দেওয়ার ভুল না করা হয়। রাতারাতি টার্নিং উইকেট বানিয়ে দিয়ে কী হল দেখলেন তো। আর বেঙ্গালুরুর পিচকেও যদি এ ভাবে টার্নার বানাতে যাওয়া হয়, তা হলে ফের ধাক্কা খেতে হবে।’

অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার কোচ ড্যারেন লেহম্যান বেঙ্গালুরুর উইকেট নিয়ে দুশ্চিন্তায় নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। প্রথম টেস্টে দাপুটে জয়ের সাংবাদিকদের অজি কোচ বলেছেন, ‘পরের টেস্টে আমাদের কেমন উইকেট দেয়া হবে, তা নিয়ে ভাবছি না। এমন ঘূর্ণি উইকেটে যদি আমরা ভারতকে হারাতে পারি, তাহলে অন্য যে কোনো উইকেটেও পারব।’


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*