মুশফিকের ‘আল্টিমেট লক্ষ্য’ চ্যাম্পিয়নশিপ


বেক্সিমকো ঢাকা ও মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ। আগামীকাল (মঙ্গলবার) পর্দা উঠতে যাওয়া কুড়ি ওভারের এই টুর্নামেন্টে মুশফিকুর রহিম খেলবেন ঢাকার হয়ে। এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান আছেন নেতৃত্বেও। টুর্নামেন্টে ‘ধীরে এগোও’ নীতি স্থির রাখলেও মুশফিকের ‘আল্টিমেট লক্ষ্য’ চ্যাম্পিয়নশিপ। আজ (সোমবার) ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার অধিনায়ক জানালেন তেমনটাই।

বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে দলকে নেতৃত্ব না দিলেও বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে ঢাকাকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মুশফিক। অধিনায়ক মুশফিক নিজেদের লক্ষ্য জানিয়ে রাখলেন, ‘প্রত্যেক টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের সুযোগ থাকে। শেষ দুটি টুর্নামেন্ট বিপিএল ও প্রেসিডেন্টস কাপে হয়তো পারিনি। শেষ টুর্নামেন্টে ফাইনাল খেলেছি। এই টুর্নামেন্টেও সেই ধারাবাহিকতা রাখতে চাই। আমাদের প্রথম লক্ষ্য থাকবে প্রথমে টপ ফোরে যাওয়া, অবশ্যই তারপর যাতে ফাইনালটা খেলতে পারি। আল্টিমেটলি লক্ষ্য তো হচ্ছে চ্যাম্পিয়নশিপ। আশা করছি, শুরুটা যাতে ভালো করতে পারি।’

 বিদেশি ক্রিকেটারদের ছাড়া কুড়ি ওভারের এই টুর্নামেন্টটি দারুণ হবে বলে মনে করছেন মুশফিক, ‘আমরা তো সবাই চাই খুব ভালো একটা টুর্নামেন্ট হোক। প্রথমবারের মতো স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট হবে। খুবই রোমাঞ্চিত আমরা। আশা করছি, বেক্সিমকো ঢাকার হয়ে খুব ভালো শুরু করতে পারবো।’

প্রথমবারের মতো ঢাকার হয়ে খেলতে পেরে দারুণ খুশি মুশফিক, ‘সবারই স্বপ্ন থাকে ঢাকার মতো একটি দলের হয়ে খেলা। আমি খুব ভাগ্যবান যে তারা এবার আমাকে নিয়েছে। আমি চেষ্টা করবো প্রতিদান দেওয়ার।’

ঢাকার অধিনায়ক হওয়ার বিষয়ে মুশফিক বললেন, ‘অধিনায়কত্বের ব্যাপারটা অনেক সময় নির্ভর করে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা কী চায়। প্রেসিডেন্টস কাপ বা অন্যান্য সময় বোর্ডের অধীনে খেলাগুলোতে বোর্ড মনে করে তরুণদের ভবিষ্যতের জন্য সুযোগ দেওয়া উচিত। এখন তারা (ঢাকা) মনে করেছে যে আমি হয়তো সঠিক ব্যক্তি যে নেতৃত্ব দিতে পারবো। এজন্যই নেওয়া আসলে। এটাও একটা চ্যালেঞ্জ, অধিনায়ক হিসেবে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া। ইনশাআল্লাহ সেই চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য আমি প্রস্তুত। আমার দলে যারা আছে, তারা সার্পোট করলে এটা অসম্ভব নয়।’