এখন যে জার্সিতে অনুশীলন হয়, আমরা তা ম্যাচেও পাইনি : সালাউদ্দিন


 

প্রধান কোচ জেমি ডে’সহ ৫ বিদেশি সহকারী কোচ, গোলরক্ষক কোচ, ফিজিও এবং ফিটনেস কোচ আছেন জাতীয় দলের অনুশীলনে। নিয়োগপ্রাপ্ত আরেকজন ম্যাচ বিশ্লেষক- যিনি লন্ডন থেকেই জামাল ভূঁইয়াদের খেলা পর্যবেক্ষণ করবেন। বিদেশিদের সঙ্গে স্থানীয় কোচ আছেন আরও দুইজন।

পূর্ণাঙ্গ ও শক্তিশালী কোচিং স্টাফ দিয়েই জাতীয় দলের অনুশীলন করাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। এটা অবশ্য নতুন নয়, বেশ কয়েকবছর ধরেই জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের পেছনে কাড়িকাড়ি অর্থ ঢালছে বাফুফে।

কাজী মো. সালাউদ্দিন আর আবদুস সালাম মুর্শেদিরা যখন লাল-সবুজ জার্সিতে খেলেছেন তখনও এত সুযোগ সুবিধা পাননি। কথাটি বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন প্রায়ই বলেন। যা আরও একবার বললেন এ কিংবদন্তি ফুটবলার।

রোববার বাংলাদেশ-নেপাল ম্যাচ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাফুফে সভাপতি অতীত ও বর্তমান জাতীয় দলের সুযোগ-সুবিধার মধ্যে তুলনা দিয়ে বলেন, ‘জাতীয় দলের অনুশীলন দেখতে গিয়েছিলাম। এখন ছেলেরা যে জার্সি গায়ে অনুশীলন করে, এমন জার্সি আমরা ম্যাচের সময়ও পেতাম না। আমাদের সময় অনুশীলনের জন্য মাত্র দুটি বল থাকত। একটি দিয়ে অনুশীলন, আরেকটি দিয়ে অনুশীলন ম্যাচ খেলতাম।’

জাতীয় দলের পারফরম্যানস পাওয়ার লক্ষ্যে বাফুফের প্রচেষ্টা সর্বোচ্চ। কোনো টুর্নামেন্ট বা আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিদেশি কন্ডিশনিং ক্যাম্প করানো হয়।

এমন সুযোগ-সুবিধা অতীতের ফুটবলাররা পাননি। বাফুফে সভাপতি খেলোয়াড়দের সুযোগ-সুবিধা দেয়ার বিপরীতে তাদের কাছ থেকে ভালো পারফরম্যান্স চেয়েছেন। খেলোয়াড়দের তিনি মাঠে শতভাগ দিতে বলেছেন।