‘ওয়াইড’ দিয়েও ধোনির ভয়ে হাত নামিয়ে নিলেন আম্পায়ার!


 

পরিষ্কার ‘ওয়াইড’ ডেলিভারি ছিল। হাতও তুলে দিয়েছিলেন আম্পায়ার। কিন্তু এরপর মহেন্দ্র সিং ধোনির দিকে তাকিয়েই যেন তার রক্ত হিম হয়ে গেল। ‘ভয়ে ভয়ে’ হাতটা নামিয়ে নিলেন আম্পায়ার পল রেইফেল। যেটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে জোর সমালোচনা।

সমালোচনা তো হবেই। যত বড় কিংবদন্তি খেলোয়াড়ই হোন না কেন, তাতে তো মাঠে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদল হওয়ার কথা না! আম্পায়ারের পরিপূর্ণ স্বাধীনতা আছে যে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার। মঙ্গলবার রাতে যা হলো, সেটি আসলেই দৃষ্টিকটু ঠেকেছে।

দুবাইয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ১৮তম ওভারে ১৯ রান দেন কর্ণ শর্মা। রশিদ খান তাকে একটি ছক্কা আর দুটি বাউন্ডারি হাঁকান। এমন বোলিংয়ের সময় বেশ কয়েকবারই কর্ণ শর্মার দিকে চোখ গরম করতে দেখা গেছে ধোনিকে। সেটা তিনি করতেই পারেন, অধিনায়কের জন্য সেটা মানায়ও। তাই বলে আম্পায়ারের সঙ্গেও?

কর্ণ শর্মার খরুচে ওভারের পর শেষ ১২ বলে ২৭ রান দরকার ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এই সময়ে ১৯তম ওভারটি শার্দুল ঠাকুরের হাতে তুলে দেন ধোনি। তার প্রথম দুই বলে দুই রান নেন রশিদ। পরের বলটি অফস্ট্যাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে যাওয়ায় ওয়াইড দেন আম্পায়ার পল রেইফেল।

সেই পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু পরের বলও ওয়াইড করেন শার্দুল। স্পষ্টতই দেখা যায়, লাইনের বাইরে পড়েছে বল। ওয়াইড দেওয়ার জন্য কিছুটা হাতও তুলে দেন আম্পায়ার। কিন্তু মানতে পারেননি ধোনি। বেরিয়ে আসেন রাগী চেহারায়, দু’হাত তুলে আম্পায়ারকে কিছু বলেন। আর আম্পায়ারও ধোনির দিকে তাকিয়ে কিছুটা ভয় নিয়েই যেন হাত নামিয়ে নেন।

এমন ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে আম্পায়ারদের ক্ষমতা নিয়ে। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টে কি স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন আম্পায়াররা? নাকি বিশেষ দলের বিশেষ খেলোয়াড়দের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবছেন? এমন নানা প্রশ্নে এখন সরব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।