এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে অভিযানে সুফল পাওয়ার দাবি ডিএনসিসির


এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে পরপর দুই দফা পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

দ্বিতীয় দফায় অভিযানে নেমে, বাসা বাড়িতে ডেঙ্গুর জন্য দায়ী এডিস মশার লার্ভা প্রথমবারের তুলনায় কম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। ফলে তারা ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের সুফল পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে।

ডিএনসিসি সূত্র জানায়, গত ৪ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত দ্বিতীয় দফা অভিযানের ১০ দিনে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৭৭টি বাড়ি, স্থাপনা নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ০.৬৯ শতাংশ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পায় সংস্থাটি। পাশাপাশি ৫৯.৬৫ শতাংশ স্থাপনায় এডিসের বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। ফলে পরপর দুইবার অভিযানে সুফল পেয়েছে ডিএনসিসি।

ডিএনসিসির প্র

ধান জনসংযোগ কর্মকর্তা এ এস এম মানুন জানান, গত ১০ দিনের অভিযানে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৭৭টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ৮৯৮টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, যা মোট স্থাপনার শতকরা ০.৬৯ ভাগ। এ ছাড়া ৭৮ হাজার ১৩০টি স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় এ ১০ দিনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৬৮টি মামলায় মোট ২১ লাখ ৬৮ হাজার ১০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান চলাকালে যেসব বাড়ি বা স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা কিংবা এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া গেছে তার ছবি, ঠিকানা, মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি অ্যাপে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে ডিএনসিসির কোন কোন এলাকায় এডিস মশা বংশবিস্তার করে তার একটি ডাটাবেস তৈরি হয়েছে। ডাটাবেস অনুযায়ী পরবর্তীতেও মনিটর করা হবে।

এর আগে প্রথম পর্যায়ে গত ৬ জুন থেকে ১০ দিনের অভিযান পরিচালিত হয়। সেই অভিযানে ডিএনসিসির ৫৪টি ওয়ার্ডে মোট ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৩৫টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ১ হাজার ৬০১ টিতে এডিস মশার লার্ভা এবং ৮৯ হাজার ৬২৬টি বাড়ি-স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। অর্থাৎ অভিযানে দেখা যায়, ডিএনসিসির শতকরা প্রায় ৬৭ ভাগ স্থাপনায় এডিসের বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ বিরাজমান এবং শতকরা প্রায় ১.২ ভাগ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়া যায়। সেসময় ১৬০১টি স্থাপনায় এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ২৪ লাখ টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছিল।