কেপ টাউন টেস্টে আমলার চমক


test+01

ব্যাট হাতে দারুণ এক ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন হাশিম আমলা। তবে প্রোটিয়া অধিনায়ক কেপ টাউন টেস্টে আসল চমক দেখিয়েছেন ইনিংস ঘোষণায়!

ইংল্যান্ডের চেয়ে ২ রানে পিছিয়ে থেকেই প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে দক্ষিণ আফ্রিকা। উদ্দেশ্য ছিল, চতুর্থ দিনের শেষ আধ ঘণ্টায় ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের বিপাকে ফেলা। ইংল্যান্ড অবশ্য সময়টা কাটিয়ে দিয়েছে নিরাপদেই।

৬ উইকেটে ৬২৯ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছিল ইংল্যান্ড। চতুর্থ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকা ইনিংস ঘোষণা করে ৭ উইকেটে ৬২৭ রানে।

অসাধারণ এক দ্বিশতক করেছেন আমলা। দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটিংয়ের ভবিষ্যৎ বলে বিবেচিত টেম্বা বাভুমা করেছেন প্রথম টেস্ট শতক। টেস্ট অভিষেকে আট নম্বরে নেমে ৬৯ রানের কার্যকরি ইনিংস খেলেছেন পেসার ক্রিস মরিস।

আমলা ও ফাফ দু প্লেসির জুটি আগের দিনের মত চতুর্থ দিনেও ইংলিশ বোলারদের হতাশ করে কাটিয়ে দেয় প্রথম সেশন। ১৫৭ রান নিয়ে দিন শুরু করা আমলা লাঞ্চের একটু আগে স্পর্শ করে দ্বিশতক।

১৯৭ রানে মইন আলিকে আকাশে তুলেও আমলা বেঁচে যান ফিল্ডার জো রুট বলের নিচে যেতে না পারায়। পরের বলেই দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ছুঁয়ে ফেলেন চতুর্থ দ্বিশতক।

আমলার ১১ ঘণ্টা ৪৭ মিনিটের ম্যারাথন ইনিংস শেষ হয়েছে লাঞ্চের পর পর। ক্যারিয়ারে দীর্ঘতম ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন দ্বিতীয় নতুন বলে স্টুয়ার্ট ব্রডের দারুণ এক ডেলিভারিতে (৭০৭ মিনিটে ২০১ রান)।

১৭১ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি ভাঙার পরের ওভারে ফিরে যান দু প্লেসিও (৮৬)। থিতু দুই ব্যাটসম্যানের পর কুইন্টন ডি কককেও (৫) ফিরিয়ে ম্যাচে রোমাঞ্চ ফেরায় ইংল্যান্ড। কিন্তু সপ্তম উইকেটে বাভুমা ও মরিসের ১৬৭ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের জবাবটা হয় দুর্দান্ত।

অভিষেকে আটে নেমে ৬৯ রান করেন মরিস। সপ্তম টেস্টে প্রথম শতকের দেখা পান বাভুমা (১০২*)। ২ রান পেছনে থেকে ইনিংস ঘোষণা করে সিরিজে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা।

শেষ বিকেলে ৬ ওভার ব্যাট করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ইংল্যান্ড তুলেছে ১৬ রান।