মার্কিন সেনা উপস্থিতির কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: রুহানি


মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি ও ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ফলে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। ইউক্রেনের ভূপাতিত বিমানে থাকা সুইডেনের নাগরিক নিহতের ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করতে সেদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ফোন দেন রুহানি। রবিবার (১২ জানুয়ারি) এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোফভেনকে টেলিফোনে সমবেদনা জানান তিনি।

ইরানি জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গত ৮ জানুয়ারি (বুধবার) সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর থেকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উদ্দেশে উড্ডয়নের পরপরই ১৮০ যাত্রীসহ বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। নিহতদের মধ্যে সুইডেনের নাগরিকও ছিল। প্রথমে বিমানটি ভূপাতিত করার কথা অস্বীকার করলেও শনিবার বিমানটি ভুল করে ভূপাতিত করার কথা স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে ইরান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোফভেনকে টেলিফোন করে দেশটির নিহত নাগরিকদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা ও দুঃখপ্রকাশ করেন রুহানি। বলেন,  ‘ইরান চূড়ান্ত ফলাফলে না পৌঁছানো পর্যন্ত তদন্ত অব্যাহত রাখবে এবং পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পরিষ্কারভাবে জনগণকে জানানো হবে।’

আঞ্চলিক উত্তেজনার জন্য ওই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের দায়ী করেছে তেহরান। রুহানি বলেছেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার ও শান্তি বজায় রাখতে সবার ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। ওই অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত।’