‘প্রেসিডেন্টের টেবিলে’ পা তুলে সমালোচনায় জনসন


ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে টেবিলে পা তুলে ফেলা অবস্থায় বরিস জনসন, ছবি: সংগৃহীত

 

ব্রেক্সিট ইস্যুতে মহা বিড়ম্বনায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। যার কাছে গেলে একটু আশ্বাস পাওয়া যাবে, ‘বেহুঁশ’ হয়ে তার কাছেই যাচ্ছেন এ মুহূর্তে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো ইঙ্গিত পাননি সফল ব্রেক্সিটের; তারপরও থেমে নেই। বৈঠক করতে শেষ গিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রনের কাছে। সেখানে সমাদরের কোনো কমতি না থাকলেও ব্রেক্সিটের পক্ষে কোনো মত তিনি পাননি। বরং নিজের ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ ভুলের জন্য পেয়েছেন সমালোচনা। বিশ্বজুড়ে জুটছে গালমন্দও।

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, জনসন ফটোসেশনের সময় তার হোস্টের সঙ্গে মজা করে সামনে রাখা টেবিলে পা তুলে মুহূর্তেই আবার নামিয়ে নেন। তখন তিনি খুব হালকা মেজাজে ছিলেন বলে দেখে বোঝা যায়।

এছাড়া এটাও জানা যায়, জনসনের অসুবিধা হচ্ছে ভেবে তার পা টেবিলের উপরে তোলার জন্য আগেই না-কি পরামর্শ দিয়েছিলে ম্যাঁক্রন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের মতে, টেবিলটি পা রাখার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে- তখন এমন একটি পরামর্শ দিয়েছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

যত যা-ই হোক, সমালোচনা পিছু ছাড়ছে না ১০নং ডাউনিং স্ট্রিটের নতুন ‘অতিথির’। জনসনকে ‘দোষারোপ’ করে এক ব্রিটিশ নাগরিক বলছেন, আচার-আচরণে জনসন ভালো না। চিন্তা করে দেখেন, যদি বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রী বাকিংহাম প্রাসাদে এমন আচরণ করতেন, তখন ব্রিটিশ প্রশাসন কতটা ক্ষুব্ধ হতো।

আরেকজন বলেন, কোনো ভালো ব্যবহার শিক্ষা দিতে পারেননি জনসন। আরেক ফরাসি বলেন, আমি হতবাক, ব্রিটিশ রানি বিষয়টি কীভাবে দেখবেন!

প্রায় এক মাস আগে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্সে যান জনসন। আলোচিত ব্রেক্সিট বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে থেকে বের হওয়ার সময়সীমার মাসখানেক আগে জনসন ইতিবাচক কোনো সাড়া পাচ্ছেন না ইইউ নেতাদের কাছ থেকে। এ কারণে তাকে একটু বেহুঁশই বলা চলে। যদিও এলিসি প্রাসাদ বিবৃতিতে বলেছে, দুই নেতার বৈঠক গঠনমূলক এবং পরিপূর্ণ ছিল।