ভয়ঙ্কর তুষার ঝড়ে নাকাল আমেরিকার বড় অংশ


প্রাকৃতিক দুর্যোগে নাকাল আমেরিকার বড় একটি অংশ। টর্নেডো, বসন্তঝড়, বজ্রবিদ্যুৎসহ তুমুল বৃষ্টিপাতের সঙ্গে তুষার ঝড়ে ওলটপালট হয়ে গিয়েছে মিনেসোটা, নেব্রাস্কা, আইওয়া, দক্ষিণ ডাকোটা, মিসিসিপি, টেক্সাস থেকে আলাবামার মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত।

১৩ এপ্রিল, শুক্রবার আরকানসাস, লুইজিয়ানা, মিসৌরি ও টেক্সাসে ১৭টি টর্নেডো হয়েছে, এখনও তুষার ঝড় অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে, মিনেসোটার সেন্ট পল শহরে জারি করা হয়েছে ‘স্নো এমার্জেন্সি’। তুষার পড়ছে ঘণ্টায় ১ থেকে ২ ইঞ্চি (২ থেকে ৫ সেন্টিমিটার) করে।

এর আগে হওয়া টর্নেডোতে উত্তর-পশ্চিম আরকানসাসে ১৬০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আহত হয়েছেন ৪ জন। তার আগের দিনই তুমুল ঝড়ে গাছ পড়ে লুইজিয়ানায় ১ বছরের মেয়ের শিশুর মৃত্যু হয়।

টর্নেডো, তুষার ঝড়ের কারণে মিনেসোটা ও টরন্টো বিমানবন্দরে ৭৫০টি বিমান বাতিল করতে হয়েছে।

যে হারে তুষারপাত হচ্ছে, তাতে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, মিনেসোটা, মিশিগান ও উইসকনসিনে এ বার ১ ফুট পুরু তুষার জমবে।

ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে, মিসিসিপির জ্যাকসনের কাছাকাছি এলাকায় ঘণ্টায় ৯০ মাইল বা ১৪৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় হয়েছে।

ডুলুথ ও মিনেসোটায় ঝড় বইবে ঘণ্টায় ৫০ মাইল বা ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে।

উত্তরপ্রান্তের নিউ ইংল্যান্ডেও সোমবার তুষার বৃষ্টি ও তুষার ঝড় হতে পারে বলে আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস।