যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে: পুতিন


সিরিয়ার সামরিক-বেসামরিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের বিমান হামলা জাতিসংঘের চুক্তি (ইউএন চার্টার) ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

সিরিয়ার বিদ্রোহী অধ্যুষিত দৌমা এলাকায় রাসায়নিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ এপ্রিল, শনিবার ভোরে  দেশটির কয়েকটি সরকারি ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।

হামলার প্রতিক্রিয়ায় বিবৃতি দিয়েছে রাশিয়া। ওই বিবৃতিতে পুতিন বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিপক্ষে আগ্রাসন চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।’

পুতিনের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সম্মিলিত হামলা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদিত নয়। এই হামলার মধ্য দিয়ে জাতিসংঘকে পাশ কাটানো হয়েছে।

বিবৃতিতে পুতিন আরও দাবি করেন, সিরিয়া সংকটের এ সময়ে এমন হামলা আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটাবে। এই হামলার পর সিরিয়া থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছোটা শরণার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে।

হামলার পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকের আহ্বান জানাবে রাশিয়া। এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ‘আগ্রাসী’ তৎপরতা নিয়ে আলোচনা হবে।

শনিবার ভোরে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের আশপাশে বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র রাষ্ট্রগুলো। রাসায়নিক অস্ত্র মজুদ আছে সন্দেহে তিনটি ভবনে হামলা করা হয়।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ছোড়া বেশির ভাগ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সিরিয়ার বিমানবাহিনী। তাদের রাশিয়ার সামরিক বাহিনী কোনো ধরনের সাহায্য করেনি।

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রবাহিনীর বিমান থেকে ১০৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭১টিই প্রতিহত করেছে সিরিয়া।