কুষ্টিয়ায় চালের মিলে অভিযান, কিছুই পায়নি টাস্কফোর্স


kushtia-1526936804

বাংলাদেশ চালকল মালিক সমিতির চেয়ারম্যান আবদুর রশিদের গুদামে অভিযান চালিয়ে কিছু না পেয়ে খালি হাতে ফেরত আসেন কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও এসপির নেতৃত্বে টাস্কফোর্স সদস্যরা। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের নির্দেশে অভিযান চালানো হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান ও পুলিশ সুপার এসএম মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চালের মোকাম কুষ্টিয়ার খাজানগরে অবস্থিত রশিদ এগ্রো ফুড লিমিটেডে অভিযান চালায় পুলিশ। তবে গুদামে কোনোকিছু না পেয়ে খালি হাতে ফেরত আসেন টাস্কফোর্সের সদস্যরা। এরপর জোয়ার্দার রাইস মিলে অভিযান চালানো হয়। সেখানেও কোনোকিছুর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

অভিযান প্রসঙ্গে কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর মনিটরিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত টাস্কফোর্সের অভিযান চলছে। এরই অংশ হিসেবে আবদুর রশিদের গুদামে অভিযান চালানো হয়েছে।

এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

এর আগে এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অতিরিক্ত মজুদ রাখলে মিল মালিকদের তাৎক্ষণিক গ্রেফতার করা হবে। কারণ তারা সিন্ডিকেট করে বাজারে চাল সংকটের গুজব ছড়িয়েছে। তারাই সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে ষড়যন্ত্র করছে।’

সম্প্রতি সরকারি একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দু লাখ মেট্রিক টন চাল মজুদ রাখা আছে রশিদের গুদামে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১১ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া সদর এসিল্যান্ড সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে টাস্কফোর্স সদস্যরা আবদুর রশিদের গুদামে অভিযান চালায়। সেখানে টাস্কফোর্স টিম তার ১৩টি গোডাউনে বিপুল পরিমাণ ধান ও চাল মজুদের প্রমাণ পান।

এদিকে মাত্র দু’দিনের ব্যবধানে আবারও কুষ্টিয়ায় চালের দাম কেজি প্রতি দুই থেকে পাঁচ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে যে মিনিকেট চাল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছিল এখন তা ৬৫ টাকা কেজি, ২৮ চাল ৫২ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬ টাকা, স্বর্ণা চাল ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ নিয়ে গত এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে কুষ্টিয়ায় চালের দাম চতুর্থ দফায় কেজি প্রতি সর্বনিম্ন ৮ টাকা থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।