মাশরাফির অবর্তমানে মাহমুদউল্লাহর ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ভাবনা


Image result for মাহমুদউল্লাহর ওয়ানডে খুলনা টাইটানস অধিনায়কত্ব

 

 

মাশরাফি বিন মুর্তজার অবসরের পর টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব উঠেছে সাকিব আল হাসানের কাঁধে। ওয়ানডেতে অবসর না নিলে হয়তো ২০১৯ বিশ্বকাপ পর্যন্ত নেতৃত্ব দেবেন মাশরাফি। কিন্তু তিনি সরে দাঁড়ালে ভোট যেতে পারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দিকে। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ জানাচ্ছেন, এসব নিয়ে কোনোরকম ভাবনা নেই তার। আপাতত দলকে যতটুকু পারেন দিতে চান।

বুধবার খুলনা টাইটান্সের কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনেকে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা জানান বাংলাদেশের এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার।

শ্রীলঙ্কাতে সফরকালে নাটকীয়ভাবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বিদায় বলেন মাশরাফি। তার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে। ওয়ানডেতে কতদিন থাকবেন সফলতম অধিনায়ক মাশরাফি? অবসরের পথে হাঁটছেন না। ২০১৯ বিশ্বকাপেও তাকে অধিনায়কের পদে দেখা যেতে পারে।

কিন্তু যদি জার্সি খুলে রাখেন মাশরাফি? সেক্ষেত্রে নতুন কাউকে খুঁজবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তালিকায় সম্ভাব্যদের মধ্যে মাহমুদউল্লাহও এগিয়ে থাকবেন। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে খুলনা টাইটান্সের অধিনায়কের ভাবনা; অধিনায়কত্ব নয়, দলকে সার্ভিস দিতে চান তিনি।

মাহমুদউল্লাহর ভাষায়, ‘অধিনায়কত্ব অনেক দূরের কথা, সেইসব নিয়ে আমি ভাবছি না। দলের জন্য সার্ভিস দিতে চাই। আমি আপাতত এটা নিয়েই ভাবছি। অমন কিছু হলে সেটা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।’

জাতীয় দলের হয়ে বল হাতে সেভাবে দেখা মিলছে না মাহমুদউল্লাহর। বিপিএলের চতুর্থ আসরে তৃতীয় স্থান অধিকারী খুলনার হয়ে প্রায় প্রতি ম্যাচেই ত্রাতার ভূমিকায় ছিলেন তিনি। এবারও ভালো করতে চান বাংলাদেশের হয়ে ৫৮ টি-টোয়েন্টিতে ৩৮ উইকেট নেওয়া ডানহাতি এই অফস্পিনার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বল হাতে ভালো করার জন্য এই টুর্নামেন্টকে অনুশীলন মানছেন তিনি।

বললেন, ‘আমি সব সময়ই প্রস্তুত থাকি। যখন যেভাবে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে আমি তার জন্য তৈরি থাকি। চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দেওয়ার। বিপিএলে বোলিং করতে হয়েছিলো, চেষ্টা করেছিলাম বোলিংয়ে কিছু করার। এবারো তেমন সুযোগ হলে তাই করবো। জাতীয় দলেও চেষ্টা থাকে নিজের সেরাটা দেওয়ার। সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামি।’

জাতীয় দলে ছয় নম্বরে ব্যাট করা মাহমুদউল্লাহ বিপিএলের সর্বশেষ আসরে নেমেছেন বিভিন্ন সময়ে। মোদ্দাকথা, দলের প্রয়োজনে টিম ম্যানেজমেন্ট যতটুকু পেরেছে পরীক্ষা করেছে তাকে। এবারও একই অবস্থা হতে পারে কিনা, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স জাতীয় দলের উপর প্রভাব ফেলবে না সেটাও জোর দিয়ে বলা যায় না।

মাহমুদউল্লাহ অবশ্য এগুলোকে শক্তি হিসেবেই দেখছেন । যেকোনো পর্যায়ে ভালো করাটা সাফল্য বলে ধরে নিচ্ছেন, ‘টিম ম্যানেজমেন্টের অসাধারণ দক্ষতার কারণে ভালো রেজাল্ট করেছিলাম। এবারও ভালো কিছু করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবো। আমি সবসময় বিশ্বাস করি কষ্ট করলে সাফল্য পাওয়া যাবেই। মাঠের পরিস্থিতিগুলো স্বাভাবিকভাবে হ্যান্ডেল করতে পারলে ম্যাচ জেতা সহজ হবে।’