রোনালদোই জিতলেন ব্যালন ডি’অর ২০১৬


fifa-ballon-dor-awards-cristiano-ronaldo

স্প্যানিশ দৈনিক মুন্ডো দেপোর্তিভো আগেই ফাঁস করে দিয়েছিল ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম। সোমবার ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। হ্যাঁ, শেষ পর্যন্ত সেই দাবীই বাস্তবতার মুখ দেখল। লিওনেল মেসি এবং অ্যান্তনি গ্রিজম্যানকে পেছনে ফেলে রোনালদোই জিতলেন ফিফা ব্যালন ডি’অর ২০১৬। এটা তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ব্যালন ডি’অর ট্রফি।

গত বছরটা স্বপ্নের মতোই কেটেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। রিয়ালের জার্সিতে সাফল্য কেবল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়। কিন্তু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মৌসুমের পুরোটা সময়জুড়েই দ্যূতি ছড়িয়েছেন তিনি। জাতীয় দল পর্তুগালের হয়েও পেয়েছেন সাফল্যের দেখা। প্রথমবারের মতো দেশকে ইউরোপ সেরার মুকুট পড়াতে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

গত এক দশক ধরেই ফুটবল বিশ্ব দেখেছে মেসি-রোনালদোর দাপট। ফিফা ব্যালন ডি’অরের চিত্রনাট্যও বলছে সেই কথা। মেসি আর রোনালদোই ভাগাভাগি করে নিয়েছেন তা। কিন্তু এবার চমক হয়ে শীর্ষ তিনে জায়গা করে নেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ফরাসি তারকা অ্যান্তনি গ্রিজম্যান। মূলত তার অসাধারণ নৈপূন্যেই গত মৌসুমে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এবং ফ্রান্স জায়গা করে নেয় ইউরোর ফাইনালে। যদিওবা দু’টি ফাইনালেই শিরোপার হাসি হেসেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

২০০৮ সালে প্রথমবারেরর মতো ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০০৯ সাল থেকে শুরু আবার মেসির রাজত্ব। টানা চারবার এই ট্রফিটা নিজের শোকেসে তুলে নতুন ইতিহাস গড়েন ‘এলএম টেন’। ২০১৪-১৫ সালে টানা দ্বিতীয়বার ব্যালন ডি’অর জিতেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপরের বছর মেসির ছোঁয়া পেলেও আবারও রোনালদোর শোকেসে।

১৯৫৬ সাল থেকে ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার দিয়ে এসেছে ‘ফ্রান্স ফুটবল’ ম্যাগাজিন। সাংবাদিকদের ভোটে প্রদান করা হতো ইউরোপের বর্ষসেরার এই পুরস্কার। ২০১০ সালে ফিফার সঙ্গে ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের সঙ্গে চুক্তি হলে একত্রেই দেওয়া হতো ফিফা ব্যালন ডি’অর। কিন্তু এবছরই সেই চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে আলাদা হয়ে যায়।

তবে ফ্রান্সের প্যারিসের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। কেননা ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে খেলতে স্থানীয় সময় সোমবার ভোরেই যে জাপানে পৌঁছে যান তিনি। যেকারণে ট্রফিটা নিজের হাতে নিতে পারেননি সিআর সেভেন।