হজ্বের সময় সৌদি আরবে ঘটে যাওয়া যতো ঘটনা


150911141425-tease-mecca-crane-large-169

গত চল্লিশ বছরে সৌদি আরবে হজ্বের  সময় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ট্রাজেডিতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত তিন হাজার মানুষ। সর্বশেষ আজকের ক্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১০৭ জন।

মক্কায় হজ্বের সময় এর আগের সর্বশেষ দুর্ঘটনা ঘটেছিল ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে। সেসময় ১৩ আফগান হাজির সঙ্গে অন্তত আরও জডনখানেক হাজি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান।

২০০৬ সালে মক্কার কাবা শরিফের অদূরে বহুতল আল-গাজা হোটেল ভেঙে পড়ে নিহত হন ৭৬ জন এবং আহত হন আরও ৬৪ জন।

একই বছর মিনায় শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মারতে গিয়ে পদদলিত হয়ে মারা যান আরও ৩৪৫ জন।
২০০৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আল-জামারাতে শয়তানকে পাথর ছুঁড়ে মারার সময় পদদলিত হয়ে মারা যান ২৪৪ হাজি।

২০০১ সালের ৫ মার্চ ৩৫ জন হাজি মারা যান ওই আল-জামারাতে একই ধরনের ঘটনায়।

১৯৯৮ সালের ৯ এপ্রিল ১৮০ জন মারা যান হুড়োহুড়িতে হঠাৎ আতঙ্কিত হয়ে। ওই পদদলিত হওয়ার ঘটনাটিও ঘটে আল-জামারাতে, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের সময়।

১৯৯৭ সালের ১৫ এপ্রিল মিনায় তাবুতে আগুন লেগে পুড়ে মারা যান ৩৪০ জন। এ ঘটনায় আহত হন আরও দেড় হাজার।

১৯৯৪ সালের ২৩ মে ২৭০ জন মারা যান আল-জামারাতে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন ইন্দোনেশীয়।

এর আগে ১৯৯০ সালের ২ জুলাই মক্কায় মারা যান ১৪শ ২৬ জন হাজি। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন মালয়েশীয়, ইন্দোনেশীয় ও পাকিস্তানি। সুড়ঙ্গ পথে পদপিষ্ট হয়ে এই বিপুল মানুষের মৃত্যু হয়। ওই সময় পর্যন্ত এটিই ছিল সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনা।

১৯৮৯ সালের ৯ জুলাই মক্কায় দুইটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহত হন এক হাজি এবং আহত হন আরও ১৬ জন।

১৯৮৭ সালের ৩১ জুলাই মক্কায় ৪০২ জন হাজি নিহত হন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলেন ইরানি হাজি। এ ঘটনায় ৬৪৯ জন আহত হন। সৌদি নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে শিয়াদের সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে তাবুতে আগুন লেগে গেলে নিহত হন ২০০ হাজি।