গ্রিসের লেসবসে আন্দোলনে অভিবাসীরা


তুরস্কে পাঠিয়ে দেয়া হবে এমন ভয়ের কারণে গ্রিসের লেসবসের একটি অভিবাসী কয়েদখানায় আন্দোলন করেছে কয়েক ডজন পাকিস্তানী অভিবাসী।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং তুরস্কের মধ্যে চুক্তির অংশ হিসেবে অভিবাসীদের তুরস্কে পাঠানোর প্রথম দফায় দুই শতাধিক অভিবাসীর মধ্যে অনেক পাকিস্তানী নাগরিকই ছিলেন।

আন্দোলনরত স্থান মরিয়ায় অভিবাসীরা সঠিক আইনী সহায়তা পচ্ছেন না মানবাধিকার সংস্থাগুলোর এমন অভিযোগের মধ্যে আন্দোলনকারীরা ‘স্বাধীনতা’ এবং সহায়তা চেয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন।

সংবাদকর্মীরা অভিবাসী প্রত্যাশীদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তাদেরকে পুলিশের কাছে থেকে কাগজ নেয়ার জন্য বলা হয়। তবে ওই কাগজ নিয়ে তাদের সাথে দেখা করতে গেলে কয়েক দিনের প্রয়োজন, আর এ কারণেই অভিবাসীদের ক্যাম্প থেকে প্রতিবেদন করার সুযোগও খুব কম।

মরিয়াতে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ সিরিয়াসহ অন্যান্য দেশের প্রায় দুই হাজার অভিবাসী বন্দি রয়েছেন।

এনজিও কর্মীরা বলেছেন, এখানকার অবস্থা খুবই নাজুক এবং এখানকার নারী ও শিশুদেরকে বাধ্য করা হয় বাহিরে ঘুমানোর জন্য।