ইউপি প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ৈ রাণীশংকৈলে আ’ লীগের সংঘর্ষ


g

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পৃথক এসব সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই উপলক্ষ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় মনোনোয়ন প্রত্যাশী রুবেলের সমর্থক ও আবুল কালাম আজাদের সমর্থকদের মধ্যে বাক বিতন্ডার জের ধরে সংঘর্ষ শুরু হলে সভা পন্ড হয়ে যায়।সেসময় প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয় শাহনেওয়াজ নামের একজন।
এছাড়া উপজেলার ৭ নং রাতোর ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুর রহিম, রেজাউল করিম মুকুল, শাহিন এবং শরৎ চন্দ্র রায়ের সমর্থকরা রাত দশটার দিকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আহত হয় অন্তত ১৫জন।
আহতদের মধ্যে মলিন চন্দ্র রায় (২৯) নেন্দরাম (৫০) বিপ্লব, দুলাল, ললিত, রঞ্জিত, হেমন্ত, অমল, লাল চন্দ্র, সুবল, আক্তারের অবস্থা বেশ গুরুতর। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাংসদ সেলিনা জাহান লিটার সঙ্গে মুঠো ফোনে কথা বললে, তিনি বলেন ‘এমন অস্থিতিশীল পরিবেশ সত্যিই দুঃখজনক।’
তার মতে, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের সঠিক প্রার্থী নির্বাচন করাই উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব। কোনোরকম পকেট কমিটি কিংবা মনগড়া প্রার্থী নির্বাচিত করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, উপজেলার ১ নং ধর্মগড়ে বাছাইকৃত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- আলহাজ্ব মো. সফিকুল ইসলাম মুকুল, ২ নং নেকমরদ আলহাজ্ব মো. আবুল হোসেন, ৩নং হোসেনগাঁও ইউপি মো. গোলাম রব্বানী, ৬ নং কাশিপুর মো. আব্দুর রউফ, ৮ নং নুন্দয়ার মো. আব্দুল বারীকে প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।
৭ নং রাতোর ও ৪ নং লেহেম্বা ইউপিতে ব্যাপক মারামারির কারণে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বুধবার ৫ নং বাচোর ইউপি প্রার্থী নির্বাচনের কথা রয়েছে।