ধারাবাহিক আন্দোলনের মাধ্যমে স্বাধীনতা এসেছে: মেনন


17158

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, স্বাধীনতা একদিনে আসেনি। ১৯৫২‘র ভাষা আন্দালন, ১৯৫৬ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬৯ এর গণঅভূত্থান প্রভৃতি ধারাবাহিক আন্দোলনের মাধ্যমে এ দেশে স্বাধীনতা এসেছে।
ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত তোপখানা রোডে দলটির কার্যালয় প্রাঙ্গণ শহীদ রাসেল স্কয়ারে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা। বক্তব্য রাখেন কমিউিনিষ্ট পার্টির সদস্য হায়দার আকবর থান রনো, জাতীয় পার্টির জামাল হায়দার প্রমুখ।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ৭০ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদকীয়তে লিখা হয়েছিল কতিপয় পিকিংপন্থী পূর্ববাংলা স্বাধীন করতে চায়। সে অনুযায়ী পাক সামরিক জান্তা আমাদের বিচার করেছিল। সেদিন কাজী জাফর আহম্মেদকে ৬ বছর, আমাকে (মেনন) ৬ বছর আর জামাল হায়দারকে ১ বছর সাজা দিয়েছিল।
তিনি বলেন, ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। কারণ, সেদিন আমরা পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলাম। সেদিন পল্টন ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছিল।
মন্ত্রী বলেন, ৬২ সালের হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বাতিলের দাবিতে অভূতপূর্ব ছাত্র আন্দোলন হয়েছিল। শহীদ আসাদের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে আন্দোলন আরো জোরদার হয়। সে সময় শ্লোগান উঠেছিল ‘শ্রমিক কৃষক অস্ত্র ধর পূর্ব বাংলা স্বাধীন কর’।
সেদিন আমরা বুঝেছিলাম এবং বিশ্বাস করতাম সশস্ত্র আন্দোলন ছাড়া মুক্তির কোনো পথ নেই। সেই পথেই স্বাধীনতা এসেছে, যোগ করেন মেনন।