বাইডেনের কাছে তুরস্কের ওপর চাপ বাড়ানোর দাবি ১৭০ আইনপ্রণেতার


 

তুরস্কের ওপর চাপ বাড়ানোর দাবিতে বাইডেন প্রশাসনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ১৭০ জন মার্কিন আইনপ্রণেতা। যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের (প্রতিনিধি পরিষদ) এসব সদস্যের সই করা চিঠিটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেনের কাছে পাঠানো হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি চিঠি দিলেও বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে সোমবার। এতে তুরস্ককে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ, ন্যাটো মিত্র তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হলেও তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিস্যেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এই সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কৌশলগত ইস্যুগুলো উল্লেখযোগ্য মনোযোগ পেয়েছে। তবে তুরস্কে মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন এবং গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসারণও চরম উদ্বেগের বিষয়।

মার্কিন আইনপ্রণেতারা চিঠি দেওয়ার মাত্র ছয় দিন আগেই এরদোয়ান বলেছিলেন, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অভিন্ন স্বার্থ তাদের মতপার্থক্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চান।

তবে বেশ কিছু ইস্যুতে তুর্কি-মার্কিন সম্পর্কে সম্প্রতি ফাটল দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা এবং সিরিয়ায় কুর্দি ওয়াইপিজি যোদ্ধাদের সহযোগিতা করায় তুরস্কের ওপর ক্ষেপেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তুরস্কে মানবাধিকার ও ব্যক্তিস্বাধীনতা লঙ্ঘনের বিষয়েও বারবার উদ্বেগ জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, এরদোয়ান ও তার দল তুরস্কের বিচার ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিয়েছে, সামরিক ও গোয়েন্দা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সমর্থকদের বসিয়েছে এবং সাংবাদিক, সংখ্যালঘু ও রাজনৈতিক বিরোধীদের বেআইনিভাবে বন্দি করে রেখেছে।