চার গোল খেয়েও হাসছিলেন কোচ, ক্ষুব্ধ বার্সা সমর্থকরা


 

 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোতে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। খেলা আবার ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে। বার্সেলোনার সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী। কিন্তু ঘরের মাঠে রীতিমত দুঃস্বপ্নের এক ম্যাচ গেল লিওনেল মেসির দলের। প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) কাছে তারা খেল চার গোল (৪-১ গোলে হার)।

নিজেদের মাঠে এমন বিপর্যয়ের পর স্বভাবতই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। শুধু এখানেই নয়, এবার লা লিগার শিরোপাও বার্সা জিততে পারবে, মনে হচ্ছে না।

বর্তমানে লিওনেল মেসির দল লা লিগায় আছে পয়েন্ট তালিকার তিন নম্বরে। লিগ শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের থেকে পিছিয়ে আছে আট পয়েন্টে, এক ম্যাচ বেশি খেলেও। এরই মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এমন বিপর্যয়, ভীষণ বেশ চাপেই থাকার কথা কোচ রোনাল্ড কোম্যানের।

কিন্তু বার্সা কোচের যেন কোনো ব্যর্থতাই গায়ে লাগছে না। পিএসজির বিপক্ষে ৪-১ গোলের লজ্জার হারের পর বরং তাকে দেখা গেল দাঁত বের করে হাসতে। যাতে খেপেছেন বার্সা সমর্থকরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোচকে ধুয়ে দিচ্ছেন তারা।

ম্যাচের পর প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় ইদ্রিসা গুয়েইয়ের সঙ্গে হাসি-তামাশা করতে দেখা গেছে কোম্যানকে। এভারটনের কোচ থাকাকালে এই ইদ্রিসা ছিলেন তার শিষ্য। সেই সম্পর্কের খাতিরেই ম্যাচ শেষে তার সঙ্গে দুষ্টুমি করছিলেন কোম্যান।

সেটা তিনি করতেই পারেন। কিন্তু বার্সার এমন দুর্যোগের দিনে কোম্যানের মুখে হাসি স্বভাবতই ভালোভাবে নিতে পারেননি সমর্থকরা। দলের প্রতি তার নিবেদন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

তবে লজ্জার দায় কাঁধে নিয়ে এখনই সরে যেতে নারাজ কোম্যান। ‘ইএসপিএন’কে তিনি বলেন, ‘জেতার পর খুশি হওয়া ব্যক্তিটি যদি আমি হই, তবে আজকের (মঙ্গলবার রাতে) এমন ফলের পর চালিয়ে যাব না বলা মানুষ আমি হতে পারি না। এটা বললে পাগলামি হবে।’

কোম্যান যোগ করেন, ‘আমি জানি আমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং আমাদের কোন জায়গায় পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা সে চেষ্টা করছি। আমরা এখনও পথের শেষে চলে আসিনি। কেবল অর্ধেক পথ হারিয়েছি।’