সবাইকে ছাড়িয়ে ইতিহাসের চূড়ায় রোনালদো


 

ইতিহাসের পাতায় আগেই নাম লিখিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার নিজের সেই অবস্থানটা তুলে নিলেন সবার ওপরে, এভারেস্টের চূড়ায়। কোপা ইটালিয়ার ইন্টার মিলানের বিপক্ষে জোড়া গোল করে সর্বকালের গোলদাতার তালিকায় সবার উপরে উঠে গেলেন সিআর সেভেন।

গোলের খাতায় রোনালদোর নামের পাশে শোভা পাচ্ছে মোচ ৭৬৩ গোল। আগেই তিনি ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলেকে পেছনে ফেলেছিলেন। কিন্তু তখনও সিআর সেভেনের সামনে ছিলেন অস্ট্রিয়ান-চেক রিপাবলিকান ফুটবলার জোসেফ বিকান।

ইন্টারমিলানের বিরুদ্ধে গোল করে বিকানকেও ছাড়িয়ে গেলেন সিআর সেভেন। এখন তার নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ৭৬৩টি গোল। পেলে এবং বিকানের গোলসংখ্যা ছিল ৭৬২টি।

যদিও কিছুদিন আগে পেলের করা ৭৫৭ গোলের রেকর্ড ভেঙেছিলেন। তবে অন্য এক হিসেবে পেলের গোলের সংখ্যা দাবি করা হয় ৭৬২টি। স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কাও এই দাবি করে পেলের গোলসংখ্যা ৭৬২টি দাবি করছেন।

তবে, পেলের ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোস এবং পেলে নিজে দাবি করেন, তার অফিসিয়াল (ক্লাব এবং জাতীয় দল মিলিয়ে) গোল সংখ্যা ১২০০’রও বেশি। কিন্তু রেকর্ডে রয়েছে ৭৫৭ কিংবা ৭৬২টি।

স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কার দাবি অনুসারে ৭৬২টি হলেও পেলেকে পেছনে ফেলে দিলেন রোনালদো। ইন্টারের বিপক্ষে তিনি করলেন ক্যারিয়ারের ৭৬২ এবং ৭৬৩তম অফিসিয়াল গোল।

তবে পেলের মত বিকানের গোলসংখ্যা নিয়েও বেশ বিতর্ক রয়েছে। বিকানের গোলসংখ্যা দাবি করা হয় মোট ৮০৫টি। যদিও অফিসিয়াল হিসেবে তার গোল সংখ্যা কেবল ৭৬২টি।

অস্ট্রিয়ার হয়ে ১৪টি, চেকেস্লোভাকিয়ার হয়ে ১২টি এবং বোহেমিয়া ও মোরাভিয়ার হয়ে করেছেন ৩ গোল। বাকি গোলগুলো তিনি করেছেন বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে। পেলে ৭৭টি গোল করেছেন ব্রাজিলের হয়ে। বাকিগুলো করেছেন ক্লাবের হয়ে। রোনালদো ১০২টি গোল করেছেন পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়ে। বাকি গোল করেছেন বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে।

পেলে এবং বিকানের গোল নিয়ে বিতর্ক থাকলেও রোনালদোর গোলসংখ্যা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। স্পোর্টিং সিপির হয়ে ৩১টি, ম্যানইউর হয়ে করেছেন ১১৮টি গোল। রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে করেছেন ৪৫১টি এবং জুভেন্টাসের হয়ে করেছেন ১১১টি গোল। পর্তুগালের হয়ে ১০২টি।

সর্বাধিক গোল স্কোরার হিসেবে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই মিললেও রোনালদোর সামনে হুমকি হিসেবে কেবল আছেন লিওনেল মেসি। এখন পর্যন্ত ৭২০টি অফিসিয়াল গোল করেছেন তিনি।