ইতিহাসের প্রথম ‘করোনা সাব’ নিউজিল্যান্ডের পেসার


 

ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ‘করোনা সাব’ ক্রিকেটার হলেন নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট দল অকল্যান্ডের বাঁহাতি সিমার বেন লিস্টার। ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট প্লাংকেট শিল্ড শুরুর আগেরদিন টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান মার্ক চ্যাপম্যানের জায়গায় ‘করোনা সাব’ খেলোয়াড় হিসেবে নেয়া হয়েছে লিস্টারকে।

আজ (মঙ্গলবার) সকালে ওটাগোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্লাংকেট শিল্ডের নতুন আসরের যাত্রা শুরু করেছে অকল্যান্ড। এই ম্যাচে খেলার কথা ছিলো হংকং বংশোদ্ভূত ২৭ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটসম্যান মার্ক চ্যাপম্যানের। সেভাবেই পরিকল্পনা সাজিয়ে ফেলেছিল অকল্যান্ড।

কিন্তু সোমবার হঠাৎ করেই অসুস্থ বোধ করেন চ্যাপম্যান। যে কারণে তার করোনা পরীক্ষা করানো হয় এবং ফলাফল হাতে না আসায় মঙ্গলবারের ম্যাচের জন্য চ্যাপম্যানের বদলে করোনা সাব হিসেবে বেন লিস্টারকে নেয়া হয়। যার সুবাদে ক্রিকেটের প্রথম করোনা সাব খেলোয়াড় বনে গেছেন তিনি।

করোনা লকডাউনের পর গত জুনে মাঠে ক্রিকেট ফেরানোর লক্ষ্য পাঁচটি ছোট-বড় নতুন নিয়মের কথা জানিয়েছিল আইসিসি। তার মধ্যে অন্যতম ছিলো এই করোনা সাব। যেখানে বলা হয়েছিল, ম্যাচ শুরুর আগে কিংবা ম্যাচ চলাকালীন সময়ে কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ঠিক সে সময়েই একজন বদলি খেলোয়াড় নামানো যাবে।

সে নিয়ম মেনেই এতদিন ধরে চলছে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। এতদিন পর্যন্ত করোনা সাবস্টিটিউটের প্রয়োজন পড়েনি কোনো ম্যাচে। এবার চ্যাপম্যানের অসুস্থতার মধ্য দিয়েই প্রথমবারের মতো ক্রিকেটে ব্যবহার করা হলো করোনা সাব।

উল্লেখ্য, গতবছরের অ্যাশেজ সিরিজ চলাকালীন সময়ে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হয়েছিল ‘কনকাশন সাব’। যে নিয়মের মাধ্যমে কোনো খেলোয়াড় যদি ম্যাচ চলাকালীন সময়ে মাথা ও ঘাড়ের আশপাশে ব্যথা পেয়ে থাকেন, তাহলে তার বদলে অন্য একজন খেলোয়াড় নামানোর সুযোগ করে দিয়েছিল আইসিসি।

এ নিয়ম চালু হওয়ার পর বিশ্বের প্রথম কনকাশন সাব খেলোয়াড় হন অস্ট্রেলিয়ার টপ-মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান মার্নাস লাবুশেন। ইংল্যান্ডের মাটিতে হওয়া অ্যাশেজ সিরিজে স্টিভেন স্মিথ ঘাড়ের ইনজুরিতে পড়লে, তার বদলে কনকাশন সাব হিসেবে নামানো হয়েছিল লাবুশেনকে।