ফ্রান্স-ইতালির গোল উৎসব, জার্মানির হোঁচট


ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গোল উদযাপন করে গেলো ফ্রান্স। প্রীতি ফুটবলে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ঘরের মাঠে ইউক্রেনকে উড়িয়ে দিয়েছে ৭-১ গোলে। ইউরোপের আরেক শক্তি ইতালিও করেছে গোল উৎসব, মলদোভাকে হারিয়েছে ৬-০ গোলে। তবে জার্মানি খেয়েছে হোঁচট। তিনবার এগিয়ে গিয়েও ঘরের মাঠে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে তুরস্কের সঙ্গে।

কেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তারা, ফ্রান্স সেটাই দেখালো বুধবার রাতে। ইউক্রেনকে পাত্তাই দেয়নি ‘লে ব্লুরা’। অধিনায়ক হিসেবে স্তাদে ডু ফ্রান্সে নামা অলিভিয়ে জিরু জাতীয় দলের জার্সিতে ‘শততম’ ম্যাচটি রাঙিয়ে নিয়েছেন জয় দিয়ে। গোল উৎসবে দুইবার বল জালেও জড়িয়েছেন তিনি। ২৪ ও ৩৩ মিনিটে তার লক্ষ্যভেদের আগেই ফ্রান্স গোলের খাতা খুলেছিল এদুয়ার্দো কামাভিনগার গোলে। প্রথমার্ধেই ব্যবধান ৪-০ হয়ে যায় ভিতালি মাইকোলেঙ্কোর আত্মঘাতী গোলে।

 দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য এক গোল শোধ করে ইউক্রেন, ভিক্তর সাইহানকোভ জাল খুঁজে পেলে। এতে ফ্রান্স যেন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। ৬৫ মিনিটে কোরেনতিঁ তোলিসো স্কোরলাইন ৫-১ করার পর ৮২ মিনিটে স্কোরশিটে নাম তোলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আর ৮৯ মিনিটে ইউক্রেনের কফিনে শেষ পেরেকটি মারেন আতোঁয়া গ্রিজমান।

স্তাদিও আর্তেমিও ফ্রাঞ্জিতে ইতালি আক্ষরিক অর্থেই খেলেছে মলদোভাকে নিয়ে। ৬-০ গোলের জয়ের পথে স্কোরশিটে দুইবার নাম তুলেছেন স্তিফান এল শারাওয়ি। আর একবার করে লক্ষ্যভেদ করেছেন ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে, ফ্রান্সেস্কো কাপুতো ও দমেনিকো বেরার্দি। অন্যটি হয়েছে আত্মঘাতী গোল।

এদিকে ঘরের মাঠে তিনবার এগিয়ে গিয়েও ড্র করেছে জার্মানি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে জুলিয়ান ড্রাক্সলারের গোলে জার্মানরা এগিয়ে গেলেও বিরতির পরপরই তুরস্ক খেলায় ফেরে ওজান তুফানের গোলে। ৫৮ মিনিটে আবারও স্বাগতিকরা লিড নেয় ফ্লরিয়ান নেউহাসের লক্ষ্যভেদে। তবে ৬৭ মিনিটে টারকিশদের আবারও সমতায় ফেরান এফেকান কারাকা। এরপর লুকা ওয়াল্ডশেমিডটে গোলে জার্মানি জয়ের স্বপ্ন দেখলেও যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে তাদের বুকে ছুরি বসিয়েছে তুরস্ককে নাটকীয় ড্র এনে দেন কেনান কারামান।