চীনকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের


তাইওয়ানে যে কোনও হামলার ব্যাপারে চীনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার নেভাদা ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়েন এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ সময় তিনি বেইজিংকে তাইওয়ান পুনর্দখলের চেষ্টা করলে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া মাথায় রাখার পরামর্শ দেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের আইনে তাইওয়ানের সুরক্ষার কথা বলা হয়েছে। তবে ঠিক কোন পরিস্থিতিতে দেশটি সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে পারবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা নেই।

রবার্ট ও’ব্রায়েন এমন সময়ে চীনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন যেদিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিনা উসকানিতে চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং। বুধবার (৬ অক্টোবর) জাপানে অবস্থিত চীনা দূতাবাস থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওই আহ্বান জানানো হয়।

মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) জাপান সফরে যান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও। সে সময় তিনি চীনের ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক প্রভাব ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের মধ্যে গভীর সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার আহ্বান জানান। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় জাপানের চীনা দূতাবাস। এর মধ্যেই তাইওয়ান নিয়ে চীনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে যুক্তরাষ্ট্র।

জাপানে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পম্পেও বারবারই চীনের বিরুদ্ধে মিথ্যা রটিয়েছেন এবং বিদ্বেষপূর্ণভাবে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরি করেছেন। আমরা আরও একবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই যে, তারা যেন শীতল যুদ্ধের মানসিকতা ও মতাদর্শিক কুসংস্কার পরিহার করে, বিনা উসকানিতে চীনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও আক্রমণ বন্ধ করে এবং চীনের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে সম্পর্ক বজায় রাখে।’