প্রমাণ না থাকায় শাস্তি হয়নি নেইমারের


বর্ণবাদের অভিযোগ উঠেছিল নেইমারের বিরুদ্ধে। ফরাসি দৈনিক লেকিপের খবর ছিল, অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১০ ম্যাচ নিষিদ্ধ হতে পারেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের ভক্তদের উৎকণ্ঠায় কাটছিল সময়গুলো। তবে খুশির খবরই পেয়েছেন নেইমার ও তার ভক্তরা। প্রমাণ না থাকায় বেঁচে গিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড, পড়তে হয়নি কোনও শাস্তির মুখে।

চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখে কাছে পিএসজির হারের পর অবকাশ যাপনে ইবিজায় গিয়েছিলেন নেইমার। সেখান থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তাকে থাকতে হয় মাঠের বাইরে। অলিম্পিক মার্সেইয়ের বিপক্ষে নতুন মৌসুম শুরু করেই আবার বিতর্কের জন্ম দেন সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। ঘটনাবহুল ম্যাচটিতে পাঁচ লাল কার্ডের একটি দেখেছিলেন নেইমার। মার্সেই ডিফেন্ডার আলভারো গনসালেসের মাথায় আঘাত করে লাল কার্ড দেখেন তিনি।

ঘটনা এ পর্যন্ত হলেও হতো। ব্রাজিলিয়ান তারকার বিরুদ্ধে ওঠে বর্ণবাদের অভিযোগ। আলভারো অভিযোগ করেন, তাকে এবং তার সতীর্থ হিরোকি সাকাইকে উদ্দেশ্য করে বর্ণবৈষম্য মন্তব্য করেছেন নেইমার। নেইমার নিজেও আবার আলভারোর বিরুদ্ধে বর্ণবাদের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই ঘটনার তদন্ত শেষে উপসংহারে পৌঁছেছে ফরাসি পেশাদারি লিগ কর্তৃপক্ষ (এলএফপি)।

সব দিক বিচার-বিশ্লেষণ করে নেইমার কিংবা আলভারো কারোরই বর্ণবাদ অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। তাই দুজনের কেউই শাস্তি পাননি। তদন্ত শেষে এলএফপি জানিয়েছে, ‘তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং খেলোয়াড় ও ক্লাব প্রতিনিধিদের বক্তব্য শুনে কমিশন সন্তোষজনক কোনও প্রমাণ পায়নি, সেটা যেমন নেইমারের বিরুদ্ধে আলভারো গনসালেসের অভিযোগের, তেমনি আলভারো গনসালেসের বিরুদ্ধে নেইমারের অভিযোগেরও। তাই কমিশন শাস্তি দেওয়ার কোনও কারণ দেখে না।’

মার্সেই ম্যাচে লাল কার্ড দেখে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি অবশ্য ভোগ করেছেন নেইমার। শাস্তি শেষে মাঠে ফিরে আবার চোট শঙ্কায় বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়। রেঁসের বিপক্ষে গোটা ম্যাচ খেললেও তার কাফে চোট পাওয়ার খবর দিয়েছেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল।