ইন্দোনেশিয়ার অন্তত ৮০০ নাগরিক আইএস সদস্য


is_0

ইরাক ও সিরিয়ার পর এবার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে চায় ইসলামিক স্টেট (আইএস)। সেক্ষেত্রে ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়া তাদের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই কাজে আইএস সফল হলে ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ। সম্প্রতি আইএসের সদস্য সরবরাহের অন্যতম উৎসে পরিণত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়া। এক হিসেবে দেখা গেছে ইন্দোনেশিয়ার কয়েক’শ নাগরিক আইএসে যোগ দিয়েছে। তালিকায় নাম রয়েছে মালয়েশিয়ারও। কাতিবাহ নুসান্তারা নামের নিজস্ব ইউনিটও রয়েছে তাদের। এ সপ্তাতেই ইরাক ও সিরিয়ায় আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে ৩০ জনকে হত্যা করে দুই মালয়েশিয়ান নাগরিক। গত শতাব্দীর ৯০’র দশকে ইন্দোনেশিয়া থেকে অনেকেই আফগানিস্তানে যায় আল কায়েদার হয়ে যুদ্ধ করতে। যুদ্ধ শেষে ফিরে এসে দক্ষিণ এশিয়ায় বিভিন্ন জঙ্গি কার্যক্রমে অংশ নেয় তারা। এবারও কমপক্ষে ৮০০ ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক আইএসের হয়ে যুদ্ধ করতে ইরাক বা সিরিয়ায় আছে বলে তথ্য রয়েছে। সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণে ব্যবহার হয়েছে ফিলিপাইনের মাটিও। বিশেষ করে আল কায়দার দক্ষিণ এশিয়া শাখা জেমাহ ইসলামিয়াসহ আইএসের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা বেশ কিছু স্থানীয় সংগঠন রয়েছে তালিকায়। ‘দক্ষিণ এশিয়াই হতে পারে আইএসের নতুন ঘাঁটি’ গত বছরই এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি হেইন লুং। এবার সেই আশঙ্কাই নতুন করে জানালেন সন্ত্রাস বিশেষজ্ঞরা। সিঙ্গাপুরের দ্য স্ট্রেইট টাইমসে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহান গুণরত্ন বলেন, এই বছরই ফিলিপাইন বা ইন্দোনেশিয়ায় শাখা খুলতে যাচ্ছে আইএস। এমনটা হলে গোটা অঞ্চলে এর ফল ভয়াবহ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। বিশেষ করে ফিলিপাইনের প্রত্যন্ত পাহাড়ী এলাকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হলে প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের আইএস অনুগতদের সদস্য করে নেয়া আরো বেশি সহজ হবে।