পঞ্চম ব্যালন ডি’অর জিতলেন মেসি


300DD0F800000578-3394303-image-a-53_1452539116213

আগে থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল। রোনালদো আর নেইমারকে টপকিয়ে ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতবেন লিওনেল মেসি। শেষ পর্যন্ত সেই মেসিই হাসলেন রেকর্ড পঞ্চমবারের মতো ফিফা ব্যালন ডি’অর জয়ের হাসি। সোমবার জুরিখের ফিফার কংগ্রেস হাউসের মঞ্চে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রিকার্ডো কাকা ঘোষণা করেন ফিফা ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিজয়ীর নাম। আর সেই ঘোষণার পরই বান্ধবী অ্যান্তোনেল্লা রোকুজ্জোকে প্রথমে চুমো একে দেন লিওনেল মেসি! তারপর ক্লাব সতীর্থ নেইমারকে। আর প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অভিনন্দন নিয়েই মঞ্চে উঠেন এলএম টেন। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে পঞ্চমবারের মতো ফিফা ব্যালন ডি’অর জয়ের তৃপ্তি! লিওনেল মেসিও যেন অবিভূত-রোমাঞ্চিত। মাইক্রোফোনের সামনে দাড়িয়ে জানালেন নিজের উচ্ছ্বাসের কথা। সতীর্থ আর সমর্থকদের ভালোবাসার জন্যই এই অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। গত দুইবার ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এবার সেই সিআর সেভেনকে হারিয়েই রাজত্ব পুনরুদ্ধার করলেন মেসি। পেছনে ফেলেছেন ক্লাব সতীর্থ নেইমারকেও। এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে গড়লেন নতুন ইতিহাস। এর আগে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে টানা তিনবার ফিফা ব্যালন ডি’অর জয়ের মাইলফলক গড়েছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে জিতেছিলেন ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার খেতাবও। জানিয়ে রাখা ভালো যে, ১৯৯১ সাল থেকে ফিফা বিশ্ব বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার দিয়ে আসছে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা। ২০১০ সাল থেকে সেটিই পরিবর্তিত হয় নামকরণ করা হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর।