নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি, বললেন এরশাদ


জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, সার্বিকভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। সাতকানিয়া ও জামালপুর সদরে জাপার মেয়র প্রার্থীরা নিজের ভোটও দিতে পারেননি। কুয়াকাটা ও কালাইসহ কয়েকটি পৌরসভায় প্রার্থীদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া।

এর আগে বিকেলেই দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে জাপার তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ২৫টি পৌরসভায় ১৭৬টি কেন্দ্র থেকে দলীয় প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কর্মীরা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে বিভিন্ন পৌরসভায় আমাদের প্রার্থীর এজেন্টদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা, কেন্দ্র দখল করা, ভোট জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ এসেছে। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় আমরা সন্তুষ্ট নই। এই কমিশনের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’ সংবাদ সম্মেলনে জাপার এই নেতা সরিষাবাড়ী, জামালপুর সদর, লাকসাম, দিরাই, হবিগঞ্জ সদর, নওগাঁ, নাটোর, টাঙ্গাইলের সখীপুর, নড়াইল সদর, বড়াইগ্রাম, সিরাজগঞ্জ সদর, গাংনী, বীরগঞ্জ, হাকিমপুর, মুক্তাগাছা, মদনপুর, কটিয়াদি, পাংশা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, গোয়ালন্দ, পটিয়া ও বান্দরবানসহ ২৬টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীদের লোকেরা কেন্দ্র দখল, ভোট ডাকাতি ও জাল ভোট দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

এসব পৌরসভায় তিনি পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানান। এ সব পৌরসভায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী ছিল। এগুলোর বাইরে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে কি না, জানতে চাইলে রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া কোনো মন্তব্য করেননি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে জাপার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাইদুর রহমান, সুনীল শুভ রায়, সাইফুদ্দিন মিলন, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ, আরিফুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।