‘অধিনায়ক হিসেবে আমাকে বিশাল কিছু করতে হয়নি’ মাশরাফি বিন মর্তুজা


চলতি বছরের অর্জনগুলোর কোনটিকেই ছোট করে দেখার উপায় নেই। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলা, পাকিস্তানকে প্রথম ওয়ানডেতে হোয়াইটওয়াশ, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ জয়।

আর এই সব কিছুর মূলেই আছে চৌকস অধিনায়ক, সাহসী ও লড়াকু যোদ্ধা মাশরাফির নেতৃত্ব! দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বদলে দিয়েছেন দলকে। সবাইকে যেমন উজ্জীবিত রাখেন তেমনি মাঠে চাপের মধ্যে সঠিক নেতৃত্বে দলকে এগিয়েও নিয়ে যান। তার ম্যাজিকেই উজ্জীবিত দল উজ্জীবিত বাংলাদেশ।

জনমনেও এমন একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে, বাংলাদেশের এ বছরের এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে মাশরাফির কোনো একটা ‘ম্যাজিক’ আছে। এই ধারণাটাকে কীভাবে দেখেন জানতে চাইলে হেসে বললেন এরকম ধারণার কোনো কারণই দেখেননা।

মাশরাফি জানালেন অধিনায়ক হিসেবে তাকে বিশাল কিছু করতে হয়নি। এমনকি তার কোনো ম্যাজিকও ছিলো নাহ। বরং সমস্ত কৃতিত্ব দিলেন কোচ-সতীর্থদের।

নিজের অধিনায়কত্ব সম্পর্কে এমনটাই বললেন মাশরাফি , ‘ক্রিকেটে কখনো কখনো একজন মানুষ অনেক কিছু বদলে ফেলতে পারে। যদি সত্যিই তেমন কিছু হতো, তাও আমি জানি না, সেই কৃতিত্বটা এভাবে ম্যাজিক বলে মনে করার সুযোগ আদৌ আছে কি না। আর বাংলাদেশের ব্যাপারে আমি পরিষ্কার বলতে চাই, অধিনায়ক হিসেবে আমাকে বিশাল কিছু করতে হয়নি। প্রত্যেকে নিজের জায়গায় পারফরম করেছে, নিজের দায়িত্বটা বুঝেছে। সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব কোচ এবং সাপোর্ট স্টাফদের। তারা পেছন থেকে এই দলটাকে প্রতিদিন তৈরি করে দিয়েছেন।

ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা ২০১৫ সালের অভাবনীয় এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ২০১৬ সালেও অটুট থাকবে। মাশরাফিও মানছেন ভালো করার চাপ থাকবে।

বললেন, ‘এটাই এখন আমাদের আসল চ্যালেঞ্জ। বলা যায়, এখন থেকে পরীক্ষার শুরু হলো। তবে মনে রাখতে হবে, ২০১৬ সালের প্রথম কয়েকটা মাস আমরা টি-টোয়েন্টিই বেশি খেলব। এই ফরম্যাটে আমরা তিন ফরম্যাটের মধ্যে এখনও সবচেয়ে দুর্বল। ফলে আমাদের ভালো করার দারুণ চেষ্টা থাকবে, তবে কাজটা সহজ হবে না।’