এবার নেতৃত্বেও ফিরে আসলেন স্টিভেন স্মিথ


২০১৮ আইপিএলের আগ মুহূর্তে বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িয়ে নিজ দেশে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। ওই ঘটনার পরপর আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালস শুধুমাত্র স্মিথের অধিনায়কত্ব কেড়েই নেয়নি, তাকে দল থেকেও বাদ দিয়েছিল।

এক বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষ এবং জাতীয় দলেও ফিরে এসেছেন নিষিদ্ধ স্মিথ এবং তার সতীর্থ ডেভিড ওয়ার্নার। একই সঙ্গে আগের মতই সদর্পে খেলে যাচ্ছেন আইপিএলে। সেই রাজস্থান রয়্যালসে স্মিথ এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদে ডেভিড ওয়ার্নার।

তবে নিজেদের জায়গা ফিরে পেলেও স্মিথ কিংবা ওয়ার্নার- কেউই আর নেতৃত্ব ফিরে পাননি আইপিএলে। দু’জনই খেলছেন একজন সাধারণ ক্রিকেটার হয়ে। তবে ওয়ার্নারকে হয়তো নেতৃত্ব ফিরে পেতে অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু স্টিভেন স্মিথ ঠিকই নেতৃত্ব ফিরে পেয়েছেন।

জয়পুরের সাওয়াই মানসিং স্টেডিয়ামে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই রাজস্থান রয়্যালস তাদের নিয়মিত অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানেকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তে আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলোর জন্য অধিনায়ক করা হয়েছে স্মিথকে।

যদিও ১ মে স্মিথ ফিরে যাবেন নিজ দেশে। বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে অংশ নেয়ার জন্য। এরপরও আইপিএলের লিগ পর্বে একটি ম্যাচ বাকি থাকবে রাজস্থানের। সেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৪ মে।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ৮ ম্যাচ খেলেছে রাজস্থান। যার মধ্যে তারা জিতেছে কেবল দুটিতে। হেরেছে ৬টিতেই। এমনকি সর্বশেষ চার ম্যাচের মধ্যে তারা জিতেছে কেবল এক ম্যাচে। এমন পরিস্থিতিতে রাজস্থান ফ্রাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের সামনে অধিনায়কের স্থান থেকে রাহানেকে সরিয়ে দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায়ও ছিল না।

দলের মধ্যে একটা ‘ইতিবাচক পরিবর্তন’ আনার লক্ষ্যেই মূলতঃ আজিঙ্কা রাহানেকে সরিয়ে স্টিভেন স্মিথকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজস্থান কর্তৃপক্ষ।

ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, গত বছর শেষ দিকে নিলাম অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রাজস্থান কর্তৃপক্ষ একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে অধিনায়কের জন্য। যেখানে দুই নম্বরেই ছিল স্মিথের নাম। ফলে রাহানের পরিবর্তে যে কোনো সময় স্মিথ অধিনায়ক হবে- এটা ছিল যেন একেবারে অবধারিত বিষয়।

কেন রাহানেকে বাদ দিয়ে স্মিথকে আনা হয়েছে নেতৃত্বে, সে ব্যাখ্যা দিয়ে রাজস্থান বলেছে, ‘রাহানে এখনও দলের মধ্যে অন্যতম কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিগণিত হবেন। তবে রয়্যালসরা চায়, সামনের ম্যাচগুলোতে যেন অন্তত আরও কয়েকটা জয় দিয়ে দলটি কিছুটা সামনে এগুতে পারে, এ কারণেই কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।’