বাঘুজের আইএস ঘাঁটিতে আবারও এসডিএফ-এর হামলা


সিরিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন আইএস এর সর্বশেষ ঘাঁটি বাঘুজে রবিবার (১০ মার্চ) আবারও অভিযান চালিয়েছে মার্কিন সমর্থিত ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস’ (এসডিএফ)।এসডিএফ এর মিডিয়া শাখার প্রধান মুস্তফা বালি টুইটারে এ কথা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের বেরিয়ে আসার সুযোগ দিতে শনিবার (৯ মার্চ) অভিযান স্থগিত করা হয়েছিল।

একসময় ইসলামিক স্টেটের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছিল সিরিয়া ও ইরাকের বহু অংশ। তাদের খেলাফতের শাসনে থাকতে হয়েছে প্রায় এক কোটি মানুষকে। পাঁচ বছর পরে এখন খেলাফত সঙ্কুচিত হয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে ইউফ্রেটিস নদীর এক বাঁকে। মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত বাঘুজের কয়েকটি সড়কেই কেবল তাদের দখল কায়েম রয়েছে। ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের পূর্ব ও পশ্চিম দিক থেকে ঘিরে ধরেছে কুর্দিদের সংগঠন ‘সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের’ (এসডিএফ)’ যোদ্ধারা। জঙ্গিদের সেখান থেকে পালানোর আর কোনও পথ নেই।
গত শুক্রবার (০৮ মার্চ) এসডিএফ জানিয়েছিল,বাঘুজ থেকে যদি আর কেউ বের হয়ে যেতে না চায় তাহলে শনিবার থেকে তারা চূড়ান্ত হামলা শুরু করবে। কিন্তু শনিবার এসডিএফ জানায়,স্থানটি ত্যাগ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের সুযোগ দিতে তারা ট্রাক পাঠিয়েছে। এদিনও অভিযান স্থগিত করে তারা।  আর এর একদিন পরই (রবিবার) নতুন করে আইএসবিরোধী অভিযান শুরু করে এসডিএফ।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রবিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে বাঘুজে আইএস ঘাঁটিতে এসডিএফ-এর হামলা শুরু হয়। অস্ত্রাগার লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এসডিএফ ও জোটের বিমানগুলো অভিযানে অংশ নেয়। জঙ্গি ঘাঁটি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এসডিএফ এর মিডিয়া শাখার প্রধান মুস্তফা বালি জানান, শনিবার থেকে আর কোনও বেসামরিক নাগরিক বাঘুজা শহর থেকে বেরিয়ে আসেনি। তিনি আরও জানান, গত মাসে চার হাজারেরও বেশি জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে। আইএস এর হাতে জিম্মি থাকা পাঁচ এসডিএফ সদস্যও মুক্ত হয়েছে। তবে অন্য জিম্মিদের পরিণতি অজানা বলে টুইটারে উল্লেখ করেছেন বালি।