চীনের প্রাচীর বাঁচাতে ড্রোনের ব্যবহার


পাথর ও মাটি দিয়ে তৈরি দীর্ঘ প্রাচীর সারি। এগুলো খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে খ্রিস্টীয় ১৬শ শতক পর্যন্ত চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। অথচ এই প্রাচীর এখন হুমকির মুখে। একটু একটু করে ভেঙে ঘরবাড়ি তৈরি করা হচ্ছে সেখানে।

ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক বলছে, চীনের মহাপ্রাচীরের প্রায় ৩০ শতাংশ ক্ষয় হয়ে গেছে। এ ছাড়া প্রাচীরের মূল কাঠামোর ৫০ শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাচীর ভাঙা রোধে এবার ড্রোন ব্যবহার করবে বেইজিং। প্রশাসনের দাবি, প্রাচীরের কোথায় কোথায় কতটুকু ক্ষতি হয়েছে তা এরই মধ্যে ড্রোনের সাহায্যে পাওয়া হাই-ডেফিনেশন, থ্রি-ডি ছবিতে অনেকটা ধারণা পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নতুন করে ইট-পাথর বসিয়ে দীর্ঘ এই প্রাচীরের হাল ফেরানোই এখন মূল কাজ। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রাচীরের জটিল গঠনের জন্য এই কাজটি করা খুব একটা সহজ নয়।

১৯৮৭ সালে ইউনেসকো চীনের প্রাচীরকে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়। খ্রিস্টপূর্ব ২২০ সালে প্রাচীরের নির্মাণকাজ শুরু হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সম্রাট এর নির্মাণকাজ এগিয়ে নেন। এই মহাপ্রাচীর নির্মাণের স্বর্ণযুগ হচ্ছে মিং ডাইন্যাস্টির (১৩৬৮-১৬৪৪) আমলে। বর্তমানে মহাপ্রাচীরের যে অংশগুলো দেখতে পাওয়া যায়, তা মূলত মিং ডাইন্যাস্টির সময়ে নির্মিত।