ছেলের সঙ্গে ভাঙা হাত নিয়েই বার্সার জয় দেখলেন মেসি


ইনজুরির কারণে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিটকে পড়েছেন লিওনেল মেসি। যে কারণে বুধবার দলের সেরা তারকাকে ছাড়াই মাঠে নামে বার্সেলোনা। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এই ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল শক্তিশালী ইন্টার মিলান।

ইতালিয়ান জায়ান্টদের বিপক্ষে খুব সহজেই জয় পেয়েছে মেসিবিহীন বার্সেলোনা। রাফিনহা আর জর্দি আলবার গোলে আর্নেস্তো ভালভার্দের শিষ্যরা এদিন ২-০ ব্যবধানে পরাজিত করে ইন্টার মিলানকে।

ন্যু ক্যাম্পের এই ম্যাচের দুই অর্ধে গোল দুটি করে কাতালানরা। প্রথমার্ধের ৩২ মিনিটে রাফিনহা প্রথম গোল করে স্বাগতিক শিবিরকে এগিয়ে দেন। প্রায় দুই বছর পর বার্সার জার্সিতে এটাই তার প্রথম গোল। এর আগে স্প্যানিশ লা লিগায় ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে সর্বশেষ গোলটি করেছিলেন তিনি। তার সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে গোল করেই নজর কেড়েছেন রাফিনহা। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৮৩ মিনিটে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন জর্দি আলবা।

এই ম্যাচে লিওনেল মেসি মাঠে না থাকলেও সতীর্থদের উৎসাহ দিতে ঠিকই গ্যালারিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার অবশ্য একা ছিলেন না। ছেলে থিয়াগো মেসিকেও সাথে নিয়ে এসেছিলেন এলএম টেন। বার্সার দুটি গোলের সময়ই ক্যামেরা চলে যায় মেসির দিকে। গ্যালারিতে থেকে ভাঙা হাত নিয়েও উদযাপনে মেতে ওঠেন কাতালান ক্লাবটির প্রাণভোমরা মেসি।

তবে ইতালিয়ান ক্লাবটি ধন্যবাদ দিতে পারে তাদের গোলরক্ষক সামির হান্দানোভিচকে। কেননা, স্লোভেনিয়ান এই গোলরক্ষক যে অন্তত ৯টি দুর্দান্ত সেভ করেছেন। ভালভার্দের শিষ্যরা এদিন আরও গোলের সুযোগ তৈরি করলেও মূলত গোলরক্ষকের কারণেই সেগুলোকে জালে জড়াতে পারেনি স্বাগতিক শিবির।

তারপরও ইউরোপ সেরার এই টুর্নামেন্টে শতভাগ জয়ের ফলে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সেলোনা। তিন ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহে ৯ পয়েন্ট। ছয় পয়েন্ট নিয়ে ইন্টার মিলান আছে দুইয়ে। তিন আর চারে থাকা যথাক্রমে টটেনহ্যাম ও পিএসভির পয়েন্ট সমান এক করে।