সোনার হরিণের দেখা পেলেন জিরুড


সতীর্থদের সঙ্গে অলিভিয়ের জিরুডের গোল-উদযাপন।
অবশেষে গোল নামক সোনার হরিণের দেখা পেলেন অলিভিয়ের জিরুড। টানা ১০ ম্যাচে গোল বঞ্চিত থাকার পর ১১তম ম্যাচে সাফল্যের দেখা পেলেন ফ্রান্সের এই বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার। রবিবার উয়েফা ন্যাশন্স লিগে হল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জয়সূচক গোলটি করেন তিনি।
এই গোলের সৌজন্যেই নতুন ইতিহাস গড়েন অলিভিয়ের জিরুড। কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানকে ছাড়িয়ে ফ্রান্সের ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনটি দখল করে নেন তিনি। ফ্রান্সের জার্সিতে ৩১ গোল করে দীর্ঘদিন দেশটির সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার চার নম্বর স্থানটি নিজের করে রেখেছিলেন জিনেদিন জিদান। সমানসংখ্যক গোল করে তার সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করছিলেন জিরুড।

রবিবার ডেনমার্কের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৪ মিনিটে গোল করেন জিরুড। সেইসঙ্গে জিদানকে ছাড়িয়ে যান তিনি। ফ্রান্সের জার্সিতে জিরুডের গোলসংখ্যা এখন ৩২।

৫১ গোল করে এই তালিকায় সবার উপরে অবস্থান করছেন থিয়েরি হেনরি। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফরাসি কিংবদন্তি মিচেল প্লাতিনির গোল ৪১টি। ৩৪ গোল করে ফ্রান্সের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা ডেভিড ট্রেজেগুয়েট। জিরুডের উপর দিদিয়ের দেশমের যে আস্থা সেটা দেখা গেছে রাশিয়া বিশ্বকাপেই। এই আস্থা ঠিকিয়ে রাখতে পারলে যে, অলিভিয়ের জিরুড অনেক দূর এগিয়ে যাবেন তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফ্রান্সের জার্সিতে ১১ ঘণ্টা ৩৮ মিনিট খেলার পর রবিবার প্রথম গোলের দেখা পান জিরুড। স্বাভাবিকভাবেই দারুণ উচ্ছ্বসিত চেলসির এই ফরাসি তারকা। তার গোলেই এদিন ২-১ গোলে হার মানে হল্যান্ড। জিরুড ব্যতিত এদিন ফ্রান্সের হয়ে গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পেও। ম্যাচ শুরুর ১৪মিনিটে করা এমবাপ্পের গোলেই প্রথম এগিয়ে যায় দিদিয়ের দেশমের দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৭ মিনিটে বাবেলের গোলে সমতায় ফিরে ডাচরা। এরপর ৭৪ মিনিটে গোল করেই নিজেকে ইতিহাসে নিয়ে যান জিরুড।