রেসলার কেইন এখন মেয়র


গ্লেন জ্যাকবস তার আসল নাম। তবে এই নামে তাকে খুব কম মানুষই চিনবেন। কিন্তু যদি বলা হয়, ডব্লিউডব্লিউই রেসলার কেইন, তাহলে এক নিমিষেই চিনে ফেলবেন সবাই। দানবীয় চেহারার মুখোশধারী কেইনের অগণিত ভক্ত রয়েছে রেসলিং দুনিয়ায়। সেই কেইন মুখোশ ও রেসলিং দুনিয়া ছেড়ে নাম লিখিয়েছেন রাজনীতিতে।

রেসলিংয়ের পর রাজনীতির মঞ্চেও সফল কেইন। রাজনীতিবিদ হিসেবে জিতেছেন জীবনের প্রথম নির্বাচনও। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনিসি রাজ্যের নক্স কাউন্টি থেকে রিপাবলিকানদের হয়ে মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন কেইন। তার পরিচয় এখন মেয়র।

অবশ্য কেইনই রেসলার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া প্রথম ব্যক্তি নন। এর আগে জেসি ‘দ্যা বডি’ বেঞ্চুরা ১৯৯৮ সালে রেসলিং ছেড়ে মিনেসোটার গভর্নর হয়েছিলেন। ডব্লিউডব্লিউই মালিক পরিবারের মেয়ে লিন্ডা ম্যাকমহন বর্তমান মার্কিন সিনেটের সদস্য। ট্রাম্প সরকারের ক্ষুদ্র বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন তিনি।

আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্পের কথা কেইবা না জানেন। তিনিও ছিলেন রেসলিং দুনিয়ার বড় তারকা। ট্রাম্পের আস্থাভাজন হিসেবে খ্যাত কেইনও সেই পথেই হেঁটেছেন। চার বছর আগে কেইন রেসলিংকে বিদায় জানান। তারপর থেকে তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন। পাশাপাশি উত্তর টেনিসিতে একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিও চালান।

ডেমোক্রেটদের হেভিওয়েট প্রার্থী লিন্ডা হেনিকে হারিয়ে মেয়র পদে জয়ী হন কেইন। তার এমন সাফল্যে বেশ খুশি ডব্লিউডব্লিউইও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে নিজেদের অফিশিয়াল পেজে কেইনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ডব্লিউডব্লিউই লিখেছে, ‘দুই মাস আগের কষ্টে প্রাথমিক নির্বাচন জেতা কেইন আজ মেয়র হয়েছেন। তার এই পথ চলা কিন্তু এক বছর আগে শুরু হয়েছিল।’

৫১ বছর বয়সী সাবেক এই রেসলার নির্বাচনের আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, এলাকাকে তিনি আরও উন্নত করার চেষ্টা করবেন এবং ট্যাক্স কমিয়ে আনবেন। নির্বাচিত হওয়ার পর আবারও সেই কথাই জানান কেইন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর নতুন মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন একসময়ের জনপ্রিয় এই রেসলার।