গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এগিয়ে হ্যারি কেইন


রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা উঠার আগেই লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, নেইমারদের সঙ্গে সম্ভাব্য গোল্ডেন বুট বিজয়ীর তালিকায় নাম ছিল হ্যারি কেইনেরও। যদিও তেমন একটা আশাবাদী ছিলেন না ফুটবল সমর্থকরা। কিন্তু বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হতে না হতেই সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার অনেকটাই নিজের করে নিয়েছেন এই ইংলিশ অধিনায়ক।

বিশ্বকাপ শুরু আগে টটেনহাম হটস্পারের হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে একের পর এক গোল করে আলো কেড়ে নিয়েছিলেন। সেই ফর্ম ধরে রেখেছেন রাশিয়া বিশ্বকাপেও। শেষ ষোলোর লড়াই শেষে সেই কেইনের নামের পাশে রয়েছে ছয়টি গোল। এর মধ্যে অবশ্য চারটি গোলই এসেছে পেনাল্টি থেকে। গোলের সংখ্যায় আপাতত তার ধারে কাছেও কেউ নেই।

৪ গোল করে কেইনের পেছনে রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং রোমেলু লুকাকু। পর্তুগাল ইতোমধ্যে বিদায় নেওয়ায় রোনালদোর এই দৌড়ে উঠে আসার সম্ভাবনা নেই। একমাত্র সম্ভাবনা রয়েছে রোমেলু লুকাকুর। তার দল বেলজিয়ামও উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। কোয়ার্টার ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে জোড়া গোল করতে পারলে ছুঁতে পারবেন কেইনকে।

এ ছাড়া তিন গোল করে এরপরের তালিকায় রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, উরুগুয়ের এডিনসন কাভানি, রাশিয়ার আর্তেম জিউবা, স্পেনের দিয়েগো কস্তা, রাশিয়ার ডেনিস চেরিশেভ, কলম্বিয়ার ইয়েরি মিনা। এর মধ্যে স্পেন বিদায় নিয়েছে। ফলে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড় থেকে বাদ কস্তা। বাকিরা এখনও রয়েছেন।

শেষ পর্যন্ত রাশিয়া বিশ্বকাপে যদি হ্যারি কেইন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিততে পারেন, তাহলে গ্যারি লিনেকারের পর দ্বিতীয় ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে এই গৌরব অর্জন করবেন তিনি। এর আগে, ১৯৮৬ বিশ্বকাপে গ্যারি লিনেকার ৬ গোল করে জিতে নিয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট।

রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই আলো ছড়াচ্ছেন কেইন। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তিউনিশিয়ার বিপক্ষে করেন জোড়া গোল। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে পানামার বিপক্ষে পান হ্যাটট্রিক। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অবশ্য বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামেননি তিনি। আর ৩ জুলাই মঙ্গলবার কলম্বিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে করেন এক গোল।