‘তাদের সঙ্গে ইংরেজি বা হিন্দিতে কথা বলার প্রশ্নই ওঠে না’


২০১১ সাল থেকে টানা সাত মৌসুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলেছেন সাকিব আল হাসান। হয়ে উঠেছিলেন কলকাতার ঘরের ছেলে। দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে মাতিয়েছেন ইডেন গার্ডেন্সের দর্শকদের। দুবার জিতেছেন আইপিএলের শিরোপা। যদিও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি মৌসুমে ঠিকানা বদলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদে ভেড়েন সাকিব।

নতুন দলে নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার মিশনে ব্যস্ত আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই পোস্টার বয়। সমর্থন পাচ্ছেন সতীর্থ ও দলের কোচিং স্টাফদের কাছ থেকেও। তবে নিঃসন্দেহেই সাকিবের জন্য সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় এটা যে, হায়দরাবাদেও বাংলাতেই কথা বলতে পারছেন। ক্রিকবাজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন সাকিব নিজেই।

ব্যাট হাতে কার্যকরী সব ইনিংস উপহার দিচ্ছেন সাকিব। ছবি: সংগৃহীত

 

কলকাতা নাইট রাইডার্সের সাবেক সতীর্থ ঋদ্ধিমান সাহা ও শ্রীবৎস গোস্বামীও রয়েছেন হায়দরাবাদ শিবিরে। দুজনই বাঙালি। তাই তো বেশ জমিয়েই বাংলা বলছেন সানরাইজার্সের এই বাঙালি ‘ত্রয়ী’। এ নিয়ে সাকিবের ভাষ্য, ‘আমরা তিনজন কথা বলার সময় বাংলায়ই বলছি। ঋদ্ধি ও গোস্বামী এ দুজনের সঙ্গে আমি সব সময়ই বাংলায় কথা বলি। তাদের সঙ্গে ইংরেজি বা হিন্দিতে কথা বলার প্রশ্নই ওঠে না।’

শুধুমাত্র ঋদ্ধি আর গোস্বামীই নন, সাবেক কেকেআর সতীর্থ ইউসুফ পাঠান ও মনিশ পান্ডেকেও কমলা  শিবিরে পেয়েছেন সাকিব। হাইপারফরম্যান্স ইউনিটের (এইচপি) কোচের দায়িত্ব পালন করা সাইমন হ্যালমটকেই হায়দরাবাদের সহকারী কোচ হিসেবে পেয়েছেন সাকিব। আর বিগব্যাশের দল মেলবোর্ন রেনেগেডসে খেলার সুবাদে প্রধান কোচ টম মুডিকেও বেশ ভালোভাবেই চেনেন সাকিব।

 

সব মিলিয়ে নতুন পরিবারে এসে সুখেই আছেন সাকিব। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের কণ্ঠে শোনা গেল তেমনটাই।

সাকিব বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দারুণ সময় কাটছে হায়দরাবাদের সঙ্গে। মনিশ আর ইউসুফ ভাইয়ের (ইউসুফ পাঠান) সঙ্গে তো কলকাতাতেই খেলেছি। মুডির সঙ্গে মেলবোর্ন রেনেগেডসে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। আর সাইমন তো আমাদের এইচপি দলের কোচ, বাংলাদেশ জাতীয় দলেও কাজ করছে সে। বেশ সুখেই আছি হায়দরাবাদে।’